‘করোনার আয়ুষ্কাল নিয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য জনমনে হতাশা তৈরি করেছে’

Img

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শুক্রবার বলেছেন, করোনার আয়ুষ্কাল নিয়ে অদূরদর্শী ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য জনমনে হতাশা তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, সরকার যখন দিনরাত পরিশ্রম করে মানুষের মনোবল চাঙা রাখার নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখন স্বাস্থ্যবিভাগের কোনো কোনো কর্মকর্তার করোনার আয়ুষ্কাল নিয়ে অদূরদর্শী ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য জনমনে হতাশ তৈরি করেছে।

সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে তিনি এ ধরনের সমন্বয়হীন,অযাচিত বক্তব্য থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান।

পূর্ববর্তী সংবাদ

কামরানের মাগফেরাত কামনায় সিলেট নগরের বিভিন্ন মসজিদে দোয়া

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক নগর পিতা বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের মাগফেরাত কামনায় নগরের বিভিন্ন মসজিদে মোনাজাত করা হয়।

কামরান মারা যাওয়ার পর আজই প্রথম জুমআ হয়েছে। জুম্মার নামাজের পর সিলেট নগরের প্রতিটি মসজিদের বদর উদ্দিন কামরান ও কুদরত উল্লাহ মসজিদের ইমামের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

এছাড়াও প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য সিলেটের সকল মসজিদে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে মুসল্লিরা চোখের পানিতে আল্লাহর রহমত কামনা করেন। তওবা করেন, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান। এই মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সকলকে রক্ষার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।

করোনার সংক্রমণ রোধে শুক্রবার (১৯ জুন) হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ মসজিদে দূরত্ব বজায় রেখে জুম্মার নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা। নগরের অন্যান্য মসজিদের ইমামগনও দূরত্ব বজায় রেখে নামাজ আদায়ের জন্য মুসল্লিদের বলেন। 

এছাড়া মসজিদে শুধু খুৎবা এবং জুমার দুই রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করা হয়। সুন্নত নামাজ নিজ নিজ বাসায় পড়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।
 
নগরের বন্দরবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, কোর্ট পয়েন্টে কালেক্টরেট জামে মসজিদ, আম্বরখানা জামে মসজিদ, বায়তুল আমান জামে মসজিদ, শামীমাবাদ আল জান্নাত জামে মসজিদসহ অন্যান্য মসজিদে জুমার নামাজে মুসল্লির উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।

সব মসজিদেই দূরত্ব বজায় রেখে মুসল্লিরা নামাজ আদায় করেছেন। নামাজ শুরু হওয়ার আগে মুয়াজ্জিন ঘোষণা করেন, নিজ নিজ দুরত্ব বজায় রেখে কাতার সোজা করবেন সবাই। কারো গায়ে যেন না লাগে। এরপর নামাজ শুরু হয়।

দরগাহ মসজিদের এক মুসল্লি নামাজ শেষে বলেন, দূরত্ব বজায় রেখে নামাজ আদায় করা এ মুহূর্তে সবার দায়িত্ব। কারো গায়ে যেন গা না লাগে, তা সবার মেনে চলা উচিত। 

তিনি আরও বলেন, জুমার নামাজ তো আদায় করতে হবে, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে, এ জন্য আমি আসা বাদ দিতে পারিনি। তবে দরত্ব বজায় রেখে দাঁড়ানোর কারণে ঝুঁকি অনেকটাই কমে গেছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার