‘আলোকবর্তিকা’ উদ্দ্যেগে ২৫০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

Img

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের আতঙ্কে বিভিন্ন দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশেও করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করতে সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে দুস্থ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা পগেছে চরম দূর্ভোগে। এমনই এক বিপর্যস্ত সময়ে বিদ্যালয় ভিত্তিক শিক্ষা মূলক সংগঠন ‘আলোকবর্তিকা’ ত্রাণ সামগ্রী দিয়ে আশার আলো জাগালো ২৫০ পরিবারের মাঝে। চাউল, ডাউল,লবন, আটা, আলু ও সাবান নিজ হাতে পৌঁছে দেন এসব পরিবারের মাঝে। শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এর শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘আলোকবর্তিকা’।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুমনা আক্তার শিমু উদ্যোগী হয়ে নিজের মাসিক বেতনের বেশিরভাগ অংশ দিয়ে, আলোকবর্তিকা'র সদস্যদের ক্ষুদে হাতের সহযোগিতা নিয়ে এবং কিছু উদার মানুষের সহযোগিতায় আড়াই শত অসহায় পরিবারের মাঝে রাতের আধাঁরে পৌঁছে দিলেন অন্তত পাঁচ দিনের খাবার। সংগঠনের সদস্যদের হাতেও তিনি ত্রান পৌঁছে দিয়ে আসেন যেন সদস্যরা নিজের হাতে আশেপাশের অসহায় মানুষকে দান করতে পারে। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বাড়িতেও তিনি সাহায্য পৌঁছে দেন।

এমন মহৎ উদ্যোগের বিষয়ে আলোকবর্তিকার উদ্যোক্তা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুমনা আক্তার শিমু বলেন- আমার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লেখা-পড়ার পাশাপাশি নৈতিক চরিত্র গঠন, মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ সম্বন্ধে জ্ঞান দান করতেই শুরু করেছিলাম আলোকবর্তিকা। আজ দেশের এই ক্রান্তিকালে দেশ ও মানুষের পাশে দাড়ানোর শিক্ষা, "সেবাই পরম ধর্ম" এই জ্ঞান দান করতে আমরা বেরিয়েছি বিদ্যালয়ের গন্ডি পেড়িয়ে।

একই সাথে তিনি সরকারের পাশাপাশি সমাজের সামর্থ্যবান ও বিত্তশালীদের নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে অনুরোধ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে বেড়ে ওঠা এই শিক্ষার্থীরা পরিশুদ্ধ মানুষ হয়ে আগামীর বাংলাদেশ গড়ায় সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করবে। আজকের মতো আগামীতেও সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াবে সারাজীবন।

পূর্ববর্তী সংবাদ

যশোরের মণিরামপুরে ৫৫৫ বস্তা সরকারি চাল জব্দ, আটক ২

যশোরের মণিরামপুরে ৫০ কেজি ওজনের ৫৫৫ বস্তা সরকারি চাল জব্দ করেছেন উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে মনিরামপুরের বিজয়রামপুর ভাই ভাই রাইস মিল থেকে চালের বস্তাগুলো উদ্ধার করা হয়। সেসময় ওই মিলের মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং ট্রাক ড্রাইভার ফরিদ উদ্দীনকে আটক করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মিলটিতে অভিযান চালানো হয়।

পুলিশ জানায়, কাবিখা প্রকল্পের চাল খুলনা থেকে মণিরামপুর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার গোডাউনে আনা হচ্ছিল। তবে ৫৫৫ বস্তা চাল ভর্তি ওই ট্রাকটি গোডাউনে না গিয়ে ওই মিলে যায়। অভিযোগ উঠেছে ওই মিলারের কাছে ওই চাল বিক্রি করা হয়েছিল।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ শরিফী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, চালটা সরকারি, তবে এই মুহূর্তে বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না। মিলের মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ট্রাক চালক ফরিদ উদ্দীনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।

অভিযান চলাকালে উপজেলা নির্বাহী আহসান উল্লাহ শরিফী, ওসি মণিরামপুর রফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস, এম আব্দুল্লাহ বায়েজিদসহ সরকারি কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার