২৪ আগস্ট নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলার রায়

Img

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলায় ঘটনায় করা মামলার রায় আগামী ২৪ আগস্ট দেয়া হবে।  ২০১৯ সালে মসজিদ হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক ব্রেনটন ট্যারেন্ট তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন। শুক্রবার (৩ জুলাই) নিউজিল্যান্ডের আদালতের পক্ষ থেকে এমনটি জানানো হয়।

এ বিষয়ে বিচারপতি ক্যামেরুন ম্যান্ডার বলেন, তিন দিন ধরে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। তবে এটির জন্য যতটা প্রয়োজন ততো সময় দেয়া হবে।

২০১৯ সালের ১৫ মার্চ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে নৃশংস বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় মোট ৫১ জন নিহত হন।

পূর্ববর্তী সংবাদ

কোরবানীর পশু নিয়ে শঙ্কায় খাগড়াছড়ির খামারীরা

করোনা মহামারিতে কোরবানীর পশু বিপণন নিয়ে শঙ্কায় খাগড়াছড়ির খামারীরা। উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, মানিকছড়ি উপজেলায় ছোট-বড় গো-খামার রয়েছে ৩৯টি। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও কোরবানে বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে এসব খামারে সহস্রাধিক দেশি-বিদেশি গরু মোটাতাজা করা হয়। এছাড়া উপজেলার গ্রামে-গঞ্জের হাজারো কৃষক নিজ গৃহে কয়েক হাজার দেশি বলদ, ষাঁড় মোটাতাজা করেছে। ইতোমধ্যে হাট-বাজারে কৃষকের ছোট-মাঝারি গরু উঠালেও ক্রেতাশূন্য বাজার! ফলে খামারে মোটাতাজা করা গরু নিয়ে চিন্তাগ্রস্ত গো-খামারীরা।

‘করোনা’ প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি ভেঙে কোরবানির বাজার জমে উঠার সম্ভাবনা ক্ষীণ। এছাড়া অনুন্নত জনপদে ‘অনলাইন বাজার’ প্রত্যাশাও কঠিন। ফলে মানিকছড়ির গো-খামারীরা মোটাতাজা করা গরু নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছে। পাহাড়ে প্রাকৃতিক সবুজ ঘাসে লালিত-পালিত গরুর চাহিদা থাকায় এ খাতে লক্ষ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন সাধারণ কৃষক ও গো-খামারীরা।

উপজেলার ডাইনছড়ি গরু ব্যবসায়ী আনু মিয়া বলেন, ‘প্রতি বছর কোরবানির বাজারে দেশি গরুর চাহিদা অতুলনীয়। কোরবানের এক দেড় মাস আগ থেকেই শহরের ব্যবসায়ীরা গরুর খোঁজে বাড়ি বাড়ি আসতে শুরু করেন। যার ফলে এখানকার ঘরে ঘরে কম-বেশি বলদ, ষাঁড় দেশি পদ্ধতিতে লালন-পালন করা হয়। অনেক আবার এ খাতে ২০/৫০ লক্ষ টাকা পুঁজি বিনিয়োগ করে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় গরু বর্গা দিয়ে রাখেন।’

একসত্যাপাড়া মো. আবুল কালাম ও আবদুল মালেক বলেন, ‘আমরা নিজ বাড়িতে দেশীয় পদ্ধতিতে যৎসামান্য পুঁজি বিনিয়োগ করে ৫/৭টি দেশীয় বলদ, ষাঁড় লালন-পালন করে কোরবানে বিক্রি করে থাকি। এবছর ‘করোনা’র ছোবলে দুর্বিষহ জনজীবনে কোরবানের আনন্দে ভাটা পড়ার আশংকা রয়েছে। ফলে এ নিয়ে আমরা খুবই চিন্তিত।’

উপজেলার এ কে এগ্রো ডেইরি ফার্মের মালিক হাজী মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘প্রতি বছরের ন্যায় এবার উপজেলার ছোট, মাঝারি ও বড় ৩৯ খামারের পাশাপাশি কৃষকের ঘরে মোটাতাজা দেশিয় পদ্ধতিতে সু-স্বাদু খাবারে পালিত গরু বাজারজাত করা নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় আছি। কৃষকের ছোট ও মাঝারি গরু অনায়াসে বাজারে উঠানো গেলেও গো-খামারের ৫শ-৮শ কেজি ওজনের গরু বাজারে উঠানো খুবই কষ্টকর। যার ফলে লাইফ ওয়েট পদ্ধতিতে আমরা বড় গরুগুলো বিক্রি করে থাকি। এতে কেজি সাড়ে ৩শত টাকা দরে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছি’।

উপজেলা প্রাণী সম্পাদ কর্মকর্তা ডা. সুচয়ন চৌধুরী বলেন, উপজেলার ৩৯টি তালিকাভুক্ত ছোট-বড় খামারের পাশাপাশি অসংখ্য কৃষক কোরবানকে ঘিরে সুস্বাদু খাবার ও আধুনিক পদ্ধতিতে গরুগুলোতে মোটাতাজা করছে। তবে এবার করোনার কারণে পশু বিক্রিতে কিছুটা কম আসবে।’

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার