মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বুধবার সন্ধ্যায় দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি শুরু হয়েছে। টসে জিতে ফিল্ডিং নিয়েছে বাংলাদেশ। তবে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। তৃতীয় ওভারে আক্রমণে এসে আল-আমিন হোসেন এনে দিলেন বাংলাদেশের প্রথম সাফল্য।

খেলতে নেমে মাত্র ১০ রান করে উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমের কাছে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন টিনাশে কামুনহুকামউই। পরে দলীয় ১২তম ওভারে নিজের প্রথম ওভারের প্রথম বলেই উইকেট তুলে নেন আফিফ হোসেন। তার বল তুলে মারতে গিয়ে সৌম্য সরকারের ক্যাচে পরিণত হন ক্রেইগ আরভিন। ৩৩ বলে ৩টি চারে ২৯ রান করেন আরভিন। শন উইলিয়ামসকে ডানা মেলতে দিলেন না মেহেদি হাসান। বেরিয়ে এসে মেহেদির ওপর চড়াও হতে চেয়েছিলেন উইলিয়ামস। বাড়তি বাউন্সের জন্য বলে-ব্যাটে করতে পারেননি। সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেলস ফেলে দেন মুশফিক। ৮ বলে ৩ রান করে স্টাম্পড হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন উইলিয়ামস। 

মেহেদি হাসানের পর আঘাত হানেন সাইফ। তার বলে আলা-আমিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেন সিকান্দার রাজা। যাওয়ার আগে তিনি করেন ১২ রান। এরপর ফের জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনে আঘাত হানেন আলা-আমিন। ১ রান করা রিচমন্ড মুতুমবামিকে আউট করেন তিনি। টিনোটেন্ডা মাটুমবোদজিও বেশি ভালো করতে পারেননি। মুস্তাফিজের বলে তিন রান করে নাঈমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ওয়েসলি মাধেভেরেকে রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরত পাঠান মুস্তাফিজ।

এদিকে, এক প্রান্ত আগলে ব্যাট করতে থাকেন ব্রেন্ডন টেইলর। ৪২ বলে তুলে নেন নিজের অর্ধশত। একটি ছয় ও পাঁচটি চার মেরে তিনি অর্ধশত রান করেন। শেষ পর্যন্ত ৪৮ বল খেলে ৫৯ রান করেন তিনি। অন্যপ্রান্তে কার্ল মুম্বা করেন ১ রান।

শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে সবকটি ওভার খেলে ১১৯ রান করে জিম্বাবুয়ে। তাই বাংলাদেশের জিততে হলে করতে হবে ১২০ রান।