পার্লামেন্ট কক্ষে শনিবার মারামারিতে জড়িয়েছেন হংকংয়ের আইনপ্রণেতারা। একটি আইনের সংশোধনী প্রস্তাব নিয়ে এ ঘটনা ঘটে। যে ঘটনাকে দেশটির বিষাদের দিন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বেইজিংয়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এক এমপি।

হংকংয়ের কোনো বাসিন্দার নামে চীনে, ম্যাকাউ কিংবা তাইওয়ানে মামলা হলে, তাকে প্রয়োজনে সেসব স্থানে পাঠানোর বিধান রেখে এই আইন সংশোধনীর প্রস্তাবটি দেয়া হয়েছে।

বিবিসির খবর বলা হয়েছে, শনিবার সাংবাদিকদের সামনে এ মারামারিতে বেশ কয়েকজন এমপি আহত হয়েছেন। তাদের একজনকে হাসপাতালেও নেয়া হয়েছে।

অনেকের আশঙ্কা, যে আইনের সংশোধনী নিয়ে এই দ্বন্দ্ব, তা বাস্তবায়ন হলে হংকংয়ের স্বাধীনতা খর্ব হতে পারে।

আইনটি পরিবর্তন হলে হংকংয়ের নাগরিকদের সহজেই চীনের কাছে হস্তান্তর করা যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, ছুটিতে তাইওয়ান গিয়ে গর্ভবতী বান্ধবীকে খুন করে বাড়ি ফিরে আসা এক নাগরিককে তাইপের কাছে তুলে দিতে তারা এ সংশোধনী আনতে চাইছেন। বেইজিংর কাছে স্বাধীনতা বিকিয়ে দেয়ার প্রশ্ন এখানে নেই।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, মাইক্রোফোনের দখল নিয়ে হাতাহাতি ও মারামারিতে জাড়িয়েছেন এমপিরা। এক পর্যায়ে গণতন্ত্রপন্থী আইনপ্রণেতা গ্যারি ফেন মাটিতে পড়ে যান। এরপর স্ট্রেচারে করে তাকে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চীনপন্থী এক পার্লামেন্ট সদস্যকেও পরে স্লিংয়ে হাত ঝুলিয়ে রাখতে দেখা গেছে।

গত মাস থেকেই এই আইন সংশোধনের বিপক্ষে একের পর বিক্ষোভ হচ্ছে হংকংয়ে। ব্যবসায়ীদের মধ্যে যারা কট্টরপন্থী তারাও এ সংশোধনীর বিরোধী।