স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা সামলানো সহজ হবে

Img
নিয়মিত সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া, বাইরে বের হলে মাস্ক পরা এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার মতো স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চললে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কা মোকাবেলা সহজ হবে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ধাক্কা মোকাবেলায় কর্মপরিকল্পনা ঠিক করতে আজ (রবিবার) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে খুলনা জেলা করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন এতে সভাপতিত্ব করেন।
 
সভায় জানানো হয়, করোনভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ধাক্কা সামলাতে খুলনা জেলা থেকে একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে ২০ অক্টোবরের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে।করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলতে প্রচার জোরদার করা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতেও পৃথকভাবে কোভিড এবং ননকোভিড সেবা চালুর কাজ শুরু হয়েছে। সাথে অক্সিজেন সিলিন্ডার সংখ্যা বাড়ানো ও হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা স্থাপনের কাজ চলছে। দপ্তরগুলোতে নো মাস্ক নো সার্ভিস কার্যক্রম জোরদার করা হবে। কোভিড-১৯ রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কোভিড পরীক্ষা নিশ্চিতের ওপর জোর দেওয়া হয়।
 
সভায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুন্সী মো. রেজা সেকেন্দার, সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমান, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিনিধিসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পূর্ববর্তী সংবাদ

কয়রায় কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ডিলারদের নিকট থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

কয়রা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ডিলারদের নিকট থেকে অর্থ আদায়ের  অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এ্যাসোসিয়েশন কয়রা উপজেলা শাখার সভাপতি ও  মেসার্স রমজান ট্রেডার্সের মালিক আবুল হাসান গাজী।

লিখিত আভিযোগে তিনি জানান, তার ব্যবসা প্রতিষ্টান মেসার্স রমজান ট্রেডার্স  চাহিদার তুলনায় সার কম বরাদ্ধ থাকায় কৃষকের সারের চাহিদা মিটানোর জন্য অতিরিক্ত সার আমদানী করে। বিষয়টি উপজেলা কৃষি অফিসার  জানার পর সার বোঝাই ট্রাক আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সার বাজেয়াপ্তা করে মামলা দেয়ার কথা বলে  ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে ট্রাক ও সার ছেড়ে দেন।

অভিযোগে তিনি আরও জানান, কৃষি কর্মকর্তা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে অন্যন্য  সার ডিলার ও সাব ডিলারদের নিকট থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কৃষি অফিসার এসএম মিজান মাহমুদ তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি যদি কঠোর হই তা হলে তারা ব্যাবসা করতে পারবে না। আমি মনিটরিং জোরদার করায় এবং তাদের অনিয়মের প্রতিবাদ করায় তারা আমার বিরুদ্ধে এহেন অভিযোগ করছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার