স্বাধীন সত্তা

Img

অনেকে মন খুলে লিখতে বলেন। অনেকে মন খুলে কথা বলতে বলেন।অনেকে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে উৎসাহিত করেন । কিন্তু আমি না পারি হাত খুলে লিখতে না পারি কণ্ঠ ছেড়ে কথা বলতে।তারপরও অনেক কিছু লিখি, অনেক কিছু ইঙ্গিত করি কিন্তু কেউ আমার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি।তবে লিখতে নিরুৎসাহিত করেন। তবু আমি লিখা ছাড়তে পারি না। কোথায় যেন এক অদৃশ্য মায়ার টান আমাকে লিখতে শক্তি যোগায়।তারপরও বুকের দহন থামাতে পারি না। এক অজানা আশঙ্কা ও অস্থিরতায় ভুগি। কী এক গায়েবি শক্তি বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

লিখতে না পারলে আহত পাখির মতো ছটফট করি মাঝে মাঝে।প্রত্যেকটি মানুষেরই চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া উচিত যা থেকে সে নিঃশঙ্কচিত্তে বিবেকের তাড়নায় মন খুলে লিখতে পারেন।স্বাধীনচেতা মন নিয়ে সত্য সে যত অপ্রিয় হোক তা যেন লিখতে পারেন। আমিও স্বাধীনতার সুখ নিয়ে আমার মনপ্রাণ উজাড় করে দুই হাতে লিখতে চাই। গলা ছেড়ে বলতে চাই।স্বাধীনভাবে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে উচ্চকণ্ঠে বলতে চাই। মনের ভাষায় লিখতে চাই। বুক ভরে শ্বাস নিয়ে আত্মমর্যাদার জীবন লাভ করে বাঁচতে চাই।

সততা-সরলতা বিশ্বাসনির্ভর গভীর ভালোবাসার জীবন চাই।আত্মমর্যাদাবোধ চাই জীবনের পরতে পরতে।চাই মূল্যবোধ ও আদর্শের সমাজ এবং রাজনীতি, যা পূর্বসূরিরা শিখিয়েছেন। কিন্তু আজকাল সময়ের কাছে প্রতারিত হতে হতে মাঝেমধ্যে নিজেকে বড় বেশি একা, অসহায় মনে হয়। এ যেন সাম্প্রতিক সময়ের নিয়তি ............

পূর্ববর্তী সংবাদ

আখাউড়ায় বসত বাড়ীতে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় থানায় মামলা

আখাউড়া রামধননগর গ্রামের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ মনির হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলা সূত্রে জানাগেছে, গত ২৭ নভেম্বর ২০১৮ দিবাগত গভীর রাতে মনির হোসেনের বসত ঘরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। পরে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামছুজ্জামান অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ মনির হোসেনের বাড়ি পরির্দশন করে সরকারী সহায়তার আশ্ব্যাস দেন।

৩০ নভেম্বর মনির হোসেন বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ক্ষতিগ্রস্থ মনির হোসেন বলেছেন, অগ্নিকান্ডের ঘটনায় টিভি, ফ্রিজ, পালসার মোটর সাইকেল, আসবাবপত্রসহ ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। মামলায় তিনি আরো উল্লেখ্য করেছেন, গত ৩-৪ বছর ধরে তার প্রতিবেশী বেদন মিয়া ও তার স্ত্রীর সাথে বাড়ির সীমানা নিয়ে চরম মতবিরোধ চলছে।

এই বিরোধীদের জের ধরে তারা মনির হোসেনকে বিভিন্ন সময় আক্রমন এবং প্রাননাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। উক্ত আক্রোশের জের ধরে তারা এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটাতে পারে বলে ধারণা করছেন মামলার বাদী মনির হোসেন।

এদিকে মামলার বাদী মনির হেসেন অভিযোগ করে বলেন, তার প্রতিবেশী বেদন মিয়া ষড়যন্ত্র করে তার বাড়ী আগুনে পুড়িয়ে এখন তার বিরুদ্ধেই আবার আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি করছে এবং তাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিচ্ছে।

গত কিছুদিন আগে তার বাড়ীর সীমানা থেকে জোর পূর্বক গাছ কেটে নিয়ে গেছে। তিনি এ ঘটনায় তদন্ত পূর্বক ন্যায় বিচার চেয়েছেন প্রশাসনের কাছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার