স্ন্যাপচ্যাটে যুক্ত হচ্ছে বাংলা ভাষা

Img

জনপ্রিয় ফটো শেয়ারিং অ্যাপ স্ন্যাপচ্যাটে যুক্ত হচ্ছে নতুন পাঁচটি ভাষা। ফলে মোট নয়টি ভাষায় ব্যবহার করা যাবে এই অ্যাপ।

স্ন্যাপচ্যাট জানিয়েছে, এতদিন পর্যন্ত মোট চারটি ভাষায় এ অ্যাপ ব্যবহার করতে পারতেন ব্যবহারকারীরা। এখন থেকে বাংলা, কন্নড়, মালায়লম, তামিল ও তেলেগু ভাষায়ও এটি ব্যবহার করা যাবে।

এ প্রসঙ্গে স্ন্যাপ ইনকরপোরেশনের ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নানা মুরুগেসান বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় থাকা বিভিন্ন সম্প্রদায় ও ভাষাভাষী মানুষের জন্য ক্রমাগত গবেষণা করছি আমরা। কীভাবে এ অ্যাপের নতুন ফিচারগুলোতে সংস্কৃতি ও মূল্যবোধগুলো ফুটিয়ে তোলা সম্ভব তা নিয়ে অবিরত আলোচনা চলছে। এক বছর ধরে প্রতিদিন আমাদের অ্যাপ ব্যবহারকারী মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণ হচ্ছে। এ বিষয়টি নিয়ে আমরা খুবই উত্তেজিত।

উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত এ কোম্পানি তৈরি করেন স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ইভান স্পিজেল, ববি মার্ফি এবং র‍্যাগি ব্রাউন। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ২১৮ মিলিয়ন মানুষ এটা ব্যবহার করে।গত বছর ভারতের মুম্বাইতে প্রথম অফিস তৈরি করে তারা। তারপর থেকে বাজার ধরতে স্থানীয় বিজ্ঞাপনদাতাদের পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনের দিকেও নজর রেখেছে। ফলে ক্রমশই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই মাল্টিমিডিয়াভিত্তিক মোবাইল অ্যাপটি।

পূর্ববর্তী সংবাদ

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ফের পানির দাম বাড়িয়েছে খুলনা ওয়াসা

কোনো ধরণের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ফের পানির দাম বাড়িয়েছে খুলনা ওয়াসা। সংস্থাটির ৬৬তম বোর্ড সভায় ২০ শতাংশ হারে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন হয়। জানুয়ারি মাসে বর্ধিত বিলের বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে অতিরিক্ত দাম বৃদ্ধির বিষয়টি জানতে পারে নগরবাসী। এ নিয়ে ৫ বছরে দাম বাড়লো চার দফা। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ নগরবাসী।

২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি চার টাকা ইউনিট ধরে পানির নতুন মূল্য তালিকা অনুমোদন করেছিল খুলনা ওয়াসা। পরের বছরই পানির দাম বাড়িয়ে প্রতি ইউনিট করা হয়, চার টাকা ৮০ পয়সা। ২০১৭’তেও দাম আরো বাড়ানো হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবার প্রতি ইউনিটের দাম দাড়িয়েছে ছয় টাকা ৯১ পয়সা। প্রতি বছরই পানির দামের সাথে বাড়ানো হয়েছিল পাইপ লাইনের মূল্যও। এবার যোগ হয়েছে সার্ভিস, ডিমান্ড চার্জ ও ভ্যাট।

নগরবাসী বলছে, দাম বাড়ানোর আগে অবশ্যই গ্রাহকদের নিয়ে গণশুনানি করা উচিত ছিল। তাছাড়া সেবার মান না বাড়িয়ে শুধু টাকা বাড়ালে ওয়াসা নিয়ে বাড়তে থাকবে নেতিবাচক ধারণা। ওয়াসা কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতি মাসে তাদের রাজস্ব আয় ঘাটতি ৮৪ লাখ টাকা। তাই পানির দাম না বাড়িয়ে উপায় ছিল না।

উল্লেখ্য, এক হাজার লিটার পানি এক ইউনিট হিসেবে গণ্য করা হয়।

 

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার