প্রেমিকের বাড়িতে ধরনা দিয়েও বিয়েতে রাজী করাতে না পেরে অবশেষে মামলা করেছেন সাতক্ষীরার তরুণী মঞ্জিলা খাতুন। এ মামলায় তিনি আসামি করেছেন তার প্রেমিক আবু সাঈদ ও আবু সাঈদের বোন সাবিহা খাতুনসহ চারজনকে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা থানায় দায়ের করা মামলায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশঘাটা গ্রামের শামসুর রহমানের মেয়ে মঞ্জিলা উল্লেখ করেন যে তার সাথে একই গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে আবু সাঈদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সুযোগ ধরে আবু সাঈদ তাকে বিভিন্ন সময়ে শারীরিকভাবে ব্যবহার করেছে। এইচএসসি পাস করে মঞ্জিলা ঢাকায় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকুরি করতেন। প্রেমিক আবু সাঈদ তাকে বিয়ে করবে এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে চাকুরি ছেড়ে বাড়ি ফিরে আসতে বাধ্য করে। মঞ্জিলা জানান পরে গ্রামে এসে তার সাথে ফের মেলামেশার এক পর্যায়ে বিয়ের কথা বলা হলে আবু সাঈদ এড়িয়ে যায়। মঞ্জিলা আরও উল্লেখ করেন যে তিনি বিয়ের দাবি নিয়ে আবু সাঈদের বাড়িতে সম্প্রতি দুই দফায় গেলে তাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয় পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তার মোবাইল ভেঙ্গেচুরে দেয়। তিনি জানান সেই থেকে আবু সাঈদ পলাতক রয়েছে।

মামলায় তিনি এসব বিষয় উল্লেখ করে বলেন আবু সাঈদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাকে বিয়ে করতে হবে। কিন্তু রাজী না হওয়ায় তিনি মামলা করেছেন। মামলায় আরও আসামি হয়েছেন একই গ্রামের শাহিন ও ইমরান হোসেন।

সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।