সৌদি আরবে আগামী জুলাই মাস থেকে ১০% ভ্যাট বৃদ্ধি করা হবে

Img

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি ঠিক রাখতে কিছু সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন সৌদি অর্থমন্ত্রী । তন্মধ্যে রয়েছে মূল্য সংযোজন, সরকারি কর্মচারীদের কিছু সুবিধা কমিয়ে দেয়া সহ কিছু প্রকল্পে অর্থায়ন কমিয়ে দেয়া হতে পারে। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছরের আগামী জুলাই মাস থেকে সৌদি আরবে ভ্যাট বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা ৫% থেকে বাড়িয়ে 15% করা হয়েছে এবং এটা জুলাই ২০২০ থেকে কার্যকর হবে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

করোনায় পর্যটনশিল্পে ধস

জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসেও পর্যটকদের পদভারে মুখর ছিল চট্টগ্রামের পর্যটন স্থাপনাসমূহ। মার্চে এসে প্রবলভাবে ধাক্কা খায় এ খাত। ওই মাসের মাঝামাঝি সময়ে করোনায় বন্ধ হয়ে গেছে চট্টগ্রামের সকল পর্যটন স্পট। এতে মুখ থুবড়ে পড়েছে পর্যটনশিল্প। সরকারি টানা সাধারণ ছুটি দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। এ ক্ষতি পুষিয়ে আগামী দিনে নতুনভাবে এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকারের কাছে সহজ শর্তে প্রণোদনার আবেদন জানিয়েছে চট্টগ্রামের পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

চট্টগ্রামের অন্যতম পর্যটন স্পটসমূহ হচ্ছে, ফয়’সলেক কনকর্ড এ্যামিউজমেন্ট পার্ক, ফয়’সলেকস্থ চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, সি-বিচ, বহদ্দারহাট স্বাধীনতা কমপ্লেক্স, পতেঙ্গাস্থ বাংলাদেশ বাটারফ্লাই পার্ক, বো বো ওয়ার্ল্ড, আগ্রাবাদ প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, চট্টগ্রাম শিশু পার্ক, আগ্রাবাদ জাম্বুরি পার্ক ইত্যাদি।

এসব পর্যটন এলাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, চট্টগ্রামের সবগুলো পর্যটন কেন্দ্রকে ঘিরে প্রায় ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান ও ব্যবসা-বাণিজ্য রয়েছে। করোনার কারণে গত ২০ মার্চের পর থেকে একের পর এক বন্ধ হতে থাকে পর্যটন স্পটসমূহ। এতে বেকার হয়ে পড়েন এ খাতে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকরা। এছাড়া পর্যটন স্পটসমূহের ভিতরে ও বাইরে রয়েছে বিপুল সংখ্যক দোকান। বর্তমানে এসব দোকান বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘ বন্ধের কারণে পর্যটন শিল্প নিয়ে যাদের রোজগার ছিলো তাদের সংসারে দেখা দিয়েছে অভাব-অনটন।

ফয়’সলেক এ্যামিউজমেন্ট পার্কের ম্যানেজার (মার্কেটিং) বিশ্বজিত ঘোষ বলেন, ‘মার্চে পার্কে প্রচুর পিকনিক হয়ে থাকে। কিন্তু করোনার কারণে মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে পার্কটি। এতে আমাদের ক্ষতি হয়েছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা। বর্তমানে পার্কে লোকবল রয়েছে ৩০০ জন। তারাও বেকার অবস্থায় রয়েছেন’।

পতেঙ্গা সি-বিচ এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সেকান্দর মিয়া বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমরা এখানে ব্যবসা করছি। কিন্তু গত দুই মাস ধরে ব্যবসা বন্ধ। তাই আমাদের আয় নেই। আমরা অনেক কষ্টে দিনযাপন করে যাচ্ছি’।

এদিকে করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকারের কাছে প্রণোদনার আবেদন জানিয়েছেন পর্যটনস্পট সমূহের সাথে সংশ্লিষ্টরা।

চান্দগাঁও থানাধীন স্বাধীনতা কমপ্লেক্সের পরিচালক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘করোনায় আমাদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। প্রতিমাসে আমাদের বিশাল অংকের আর্থিক ক্ষতি গুণতে হচ্ছে’।

তিনি বলেন, ‘করোনার প্রভাবে চট্টগ্রামে পর্যটন শিল্প বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারা পর্যটন শিল্পের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে তারা সবাই এখন বেকার। আয় রোজগার বন্ধ থাকায় তাদের সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। তাই সরকারিভাবে পর্যটন সংশ্লিষ্টদের জরুরিভাবে প্রণোদনা দিলে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িতরা এগিয়ে যেতে পারবে বলে মনে করি’।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার