রক্তে ভিজেছিলো কসবার মাটি, বিবর্ণ ছিলো আকাশ,
মনের মাঝে আজও কান্নাতুলে উমরা ভাইয়ের লাশ

হে প্রিয়, 

আমার বুকের চাপা কান্না কি তুমি শুনতে পাও?

বুকের বাম পাশটা মাঝে মাঝে ব্যাথিত হয়ে পড়ে,
বুকচেরা আর্তনাদ কেউ কি দেখতে পায়?

কি হয়েছিলো সেদিন?
বিবর্ণ হয়েছিল কসবার আকাশ-বাতাস,
সবকিছু কিছু সময়ের জন্য থমকে গিয়েছিলো,প্রকৃতি ও যেন কিছু সময়ের জন্য নিরব হয়ে গিয়েছিলো,

তুমার রক্তে ভেসে গিয়েছিলো বাংলাদেশ!! 

কি নির্মম শ্বাসরোধরূপ ছিলো সেই মুখুর্তটা,ভেবে দেখেছো কি?

হে প্রিয়,
আজও ভূলিনায় তোমায়,আজও তুমার কবর চোখে পড়লে কিছু সময়ের জন্য নিজেকে হারিয়ে ফেলি,আবার নিজেকে আবিস্কার করি, দেখি চুখের কোনোয় খানিকটা জল টলমল করছে,।

ভাবি, খুনি,ঘাতক, নরপশুদের কি বিচার হবে না?
ওরাতো আজও আমার ভাই শহীদ উমরা খান এর রক্তে পারা দিয়ে রঙ্গরসে মজে আছে!!
এ দায়বার কার?

হে প্রিয়,
আজও ভালবাসি তোমায়,সেদিন সময়টা মনে হয় ২০১০সাল হবে,তখন আমি অনেক ছোট,কুটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠানে তুমারই ছোট ভাই,এমরান খান এর মুখে শুনেছিলাম প্রথম তুমার কথা,সেদিন কেদেছিলো তুমার ভাই,কেদে ছিলাম আমি,তুমার লোমহর্ষক খুনের ঘটনা শুনে কেদেছিলো হাজারো জনতা।
হ্যা সেদিন থেকেই ভালবাসি তুমায়।

 হে প্রিয়, 
তুমারই আদর্শ দারণ করে,তুমারই দেখানো পথে চলে,আজ কসবা উপজেলা ছাত্রলীগ বাংলাদেশের রোল মডেল হয়ে,রাজপথ পাহারা দিচ্ছে।

আজও মনে পরে তুমায়,
ভালো থেকো ওপারে।

হে প্রিয়, আজও ভালবাসি তোমায়।

ইখলাস উদ্দিন জয় সহ-সভাপতি সৈয়দাবাদ সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ