সেই মিতু ৩ দিনের রিমান্ডে

Img

চট্টগ্রামে তরুণ চিকিৎসক মোস্তফা মোরশেদ আকাশের আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় গ্রেফতার তার স্ত্রী তানজিলা হক চৌধুরীর ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আল ইমরান তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ডের নিশ্চিত করে সিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘তানজিলা হক চৌধুরী মিতুকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে গত শনিবার আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

উল্লেখ্য নগরীর চান্দগাঁও থানা এলাকার ২ নম্বর সড়কের ২০ নম্বর বাসা থেকে গত ৩১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে চিকিৎসক মোস্তফা মোরশেদ আকাশের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃত্যুর আগে ডা. আকাশ তার ফেসবুক আইডিতে স্ত্রীর পরকিয়া এবং একাধিক যুবকের সাথে অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়ে স্ট্যাটাস ও ছবি পোষ্ট করে আত্মহত্যার কথা লিখে যায়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই গ্রেফতার হন তার স্ত্রী তানজিলা হক মিতু।

পূর্ববর্তী সংবাদ

বাথরুমের পাশে ফেলে ৩ সন্তানের জননীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ

বগুড়ার শেরপুরের দড়িমকুন্দ গ্রামে জেসমিন বেগম নামের ৩ সন্তানের জননীকে ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণ করার ঘটনায়, শনিবার রাতে লম্পট ফটিকের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় ধর্ষিতা নিজে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

তবে এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে মিমাংসার বৈঠক থেকে লম্পট ফটিককে তার দুই ছেলে শাহ আলম ও শাহাদৎসহ ১৫/১৬ জন সন্ত্রাসীরা ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, প্রায় ১১ বছর পূর্বে বিয়ে হওয়া জেসমিন ও তার স্বামী খোরশেদ আলমসহ সন্তানদের নিয়ে মিল-চাতালে কাজ করে সংসার করে আসছিল। প্রতিদিনের ন্যায় জেসমিন গত শুক্রবার রাতের খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়ার এক পর্যায়ে রাত দেড়টার দিকে প্রকৃতির ডাকে বাড়ির পাশে বাথরুমে যায়। এসময় পূর্ব থেকেই ওৎপেতে থাকা একই গ্রামের লম্পট ফটিক মিয়া জেসমিনকে পিছন থেকে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ফেলে এবং ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাথরুমের পাশেই জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

এদিকে জেসমিনের ধর্ষন ও ধস্তাধস্তির সময় জেসমিনের প্রতিবেশী ভগ্নিপতি দুলাল হোসেন দৌড়ে গিয়ে লম্পট ফটিককে ধরে ফেলে। লম্পট ফটিক দুলালকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার কালে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন সেট ঘটনাস্থলেই ফেলে যায়।

এ বিষয়ে পরদিন স্থানীয় ইউপি সদস্য ইয়াকুব আলী, চাতাল মালিক সালাম, শফি, নাজিমসহ স্থানীয় অন্যান্য মাতব্বরগন গ্রাম্য শালিশী বৈঠকে লম্পট ফটিককে হাজির করে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য্য করলেও ওই ধর্ষক ফটিকের দুই ছেলে শাহ আলম ও শাহাদতের নেতৃত্বে ১৫/১৬জনের সন্ত্রাসী বাহিনী জরিমানার টাকা দিতে অস্বীকার করে এবং জোরপূর্বক বৈঠক থেকে ফটিককে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে গত শনিবার রাতে জেসমিন বাদি হয়ে ফটিকের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর ইয়াকুব আলী বলেন, ধর্ষনের ঘটনায় শালিশি বৈঠকে আমি ছিলাম তবে আমি কোন সিদ্ধান্ত দেইনি। গন্ডগোল শুরু হলে আমি ওই বৈঠক থেকে চলে আসি।

এ প্রসঙ্গে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হুমায়ুন কবীর বলেন, এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে, আসামী গ্রেফতারপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার