সিলেটে জায়গা নিয়ে বিরোধ, ভাতিজার হাতে চাচা খুন

Img

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় বাড়ির জায়গা নিয়ে বিরোধের জের ধরে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে চাচা নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৮ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার ইউনিয়নের ভরাউট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল জব্বারের (৫৫) লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

নিহত আব্দুল জব্বার ওই গ্রামের টুটন উল্লাহর ছেলে। এ ঘটনায় ভাতিজা ফাহিম আহমদকে (২১) তাৎক্ষণিক আটক করেছে পুলিশ।

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল বলেন, বাড়ির জায়গা নিয়ে বিরোধের জের ধরে ফাহিম তার চাচাকে উপর্যুপরী ছুরিকাঘাত করে। ঘটনাস্থলেই চাচা আব্দুল জব্বার মারা যান। মরদেহের পিঠে বেশ কয়েকটি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

জামালপুরে চিকিৎসক, সাংবাদিকসহ ৪০ জনের করোনা জয়

জামালপুরে সুস্থ হলেন ৪০ করোনা ভাইরাস সংক্রামণ রোগী। ৬ চিকিৎসক, ৭ স্বাস্থ্যকর্মী ও সাংবাদিক মেহেদী হাসানসহ ৪০ জন সুস্থ্য হয়েছেন। তাদের দু’দফায় নেগেটিভ রির্পোট আসায় করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ্য হয়ে উঠার ছাড়পত্র দিয়েছে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ।

শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে তাদেরকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। 

জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে উপস্থিত হয়ে করোনা যুদ্ধ জয়ীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান কেন্দ্রিয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, করোনা আক্রান্ত ৬ নারীসহ ৪০ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট ২ দফা নেগেটিভ আসায় তাদেরকে আইসেলেশন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। সুস্থ হয়ে উঠা ৪০ জনের মধ্যে হোম আইলেশনে ছিলেন ১১ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরাদের মধ্যে সদর উপজেলার ১৭, মেলান্দহের ৩, মাদারগঞ্জের ৯, ইসলামপুরের ১, দেওয়ানগঞ্জের ২, বকশীগঞ্জের ২ এবং সরিষাবাড়ির ৬ জন। এদের মধ্যে ৬ জন চিকিৎসক, ৭ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও একজন সংবাদকর্মী রয়েছেন। এর আগে জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের আইসোলেশন থেকে দুই দফায় ৯ জন সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেন।

জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা জয় করে ফেরাদের শুভেচ্ছা জানান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামালপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম।

তিনি বলেন, করোনা রোগ হলেই মুত্যু দেশজুড়ে আতংকের মধ্যে এই ৪০ জন করোনার সাথে লড়াই করে একসাথে সুস্থ্য হয়ে উঠে আমাদের সাহস যুগিয়েছে। করোনার সন্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহনকারী ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি আরো বলেন, আপনারা জীবনবাজি রেখে করোনা রোগী চিকিৎসা সেবা দিয়ে সুস্থ্য করে তুলেছেন। মুক্তিযুদ্ধে সন্মুখ যুদ্ধে অংশ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা বীর প্রতিক, বীর বিক্রম ও বীর উত্তম খেতাব পেয়েছিল। সরকারের তরফ থেকে করোনার সন্মুখ যুদ্ধে অংশ নেয়াদের খেতাব দেয়া হলে জামালপুরে ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের এই সন্মুখ যুদ্ধের অবদানের কথা বলবো। করোনাজয়ীদের সুস্থ্য ও সুন্দর আগামী কামনা করেন তিনি।

এসময় স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

জেলায় এখন পর্যন্ত করোয় আক্রান্ত হয়েছেন ১০৩ জন। এদের মধ্যে মৃত্যুর পর ২ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় একজন।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার