সাভারে মিনি ক্যাসিনোর সন্ধান, ২১ জুয়াড়ি আটক

Img

এবার সাভারের আশুলিয়ায় মিনি ক্যাসিনোর সন্ধান পেয়েছে র‍্যাব-৪। গতকাল রাতে সেখানে অভিযান চালিয়ে মাদক ও মিনি ক্যাসিনোর ইলেকট্রনিক বোর্ড জব্দ করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে ২১ জুয়াড়িকে।

র‍্যাব জানায়, অসাধু লোকজন ক্যারাম খেলার আড়ালে ক্যাসিনোসহ মাদক সেবন করে এলাকার যুব সমাজকে নষ্ট করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মিনি ক্যাসিনো জুয়ার আসর থেকে প্লেয়িং কার্ডসহ ১টি ইলেকট্রিক ক্যাসিনো বোর্ড, ১০০ পিস ইয়াবা, ১২ ক্যান বিদেশী বিয়ার, ২২টি মোবাইল এবং নগদ ৩৮ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।

র‍্যাব-৪ এর সিইও মোজাম্মেল হক জানান, বেশির ভাগ নিম্ন আয়ের মানুষরা অল্প টাকায় এখানে ক্যাসিনো খেলতো। তিনি জানান, ক্যাসিনোর এসব সামগ্রী কারা, কীভাবে এনেছে এসবই তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

একজন উদ্যোক্তার সামাজিক স্ট্যাটাসে মানবিক হাইকমিশনারকে মূল্যায়ন

পাভেল সারওয়ার একজন তথ্য প্রযুক্তি উদ্যোক্তা। দীর্ঘদিন থেকে মালয়েশিয়ায় বসবাস করছেন। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশকে ব্রান্ডিং করে চলেছেন ম্ব-মহিমায়। ২৩ অক্টোবর তার সামাজিক মাধ্যম ফেইবুক ষ্ট্যাটাসে একজন মানবিক হাইকমিশনারকে মূল্যায়ন করতে গিয়ে লিখেছেন, বিদেশের মাটিতে এক টুকরো বাংলাদেশ হচ্ছে আমাদের হাইকমিশন। আর মিশনের মান্যবর হাই কমিশনার হচ্ছেন আমাদের অভিভাবক। মালয়েশিয়াতে আমরা প্রবাসীরা পেয়েছিলাম মান্যবর হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলাম  স্যারের মত একজন মানবিক হাইকমিশনার।

স্যারের সাথে দেখা করতে হাইকমিশনে গিয়েছিলাম, ২৩ অক্টোবর স্যারের সম্ভবত শেষ কর্যাদিবস ছিল মালয়েশিয়াতে। আমি যত বার স্যারে কাছে গিয়েছি ততবারই দেশের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কিছু করার জন্য অনুপ্রেরনা নিয়ে এসেছি। আজও তার ব্যতিক্রম হয় নি। স্যার আজও আমার মাথায় হাত রেখে দোয়া আর অনুপ্রেরণা দিয়ে দিলেন। স্যার আমাদের রেখে চলে যাচ্ছেন, এটা ভেবেই আমার চোখ বার বার ভিজে যাচ্ছে।
 
স্যারের সংস্পর্শে যাওয়ার সুযোগ হয়  হাইকমিশনের ওয়েব সাইট নির্মানের সুত্র ধরে। স্যারের সাথে দেখা না হলে বাংলাদেশ হাইকমিশন নিয়ে অন্য প্রবাসীদের মত হয়ত আমারও অনেক ভুল ধারনা থেকে যেত। স্যার যেমন একজন প্রাজ্ঞ ডিপ্লোমেট ঠিক তেমনি স্যার আইটিতেও এতো ভাল জ্ঞান রাখেন তা আমার ধারনাই ছিলনা। স্যার সারাক্ষন বলতেন তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে হাইকমিশনের সেবা কে আরও কিভাবে সহজ ও গতিশীল করা যায়। করোনার লকডাউনে আমি দেশে ছিলাম, স্যার আমাকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা দিয়ে নির্দেশ দিলেন পাসপোর্ট রি-ইস্যুর এপয়েন্টমেন্ট কিভাবে আরও সহজ করা যায় তার জন্য একটা অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট সিস্টেম তৈরি করতে। স্যার এতো সুন্দরভাবে আমাদের বিষয়টা বুঝিয়ে দিলেন যে, কাজটা করা আমাদের জন্য সহজ হয়ে গেল।

আমি গতবছর জাতিসংঘের সাধারন অধিবেশনে যোগদান করে মালয়েশিয়া ফিরে স্যারের সাথে যখন দেখা করতে গেলাম তখন আমার শরীর ভাল ছিলনা। ডাক্তার আমার কিডনি অপারেশন করার পরামর্শ দিলেন। আমি কিডনি এই ব্যাথায় স্যারের কক্ষে বসতে পারছিলাম না, তাই বার বার দাড়াতে হচ্ছিল। স্যার বিষয়টা খেয়াল করলেন,স্যারও দাঁড়িয়ে গেলেন- আর বললেন তোমার ব্যাথাটাতো নিতে পারব না, তাই তোমার সাথে আমিও কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকি। স্যারের মানবিক ব্যবহার দেখে আমার চোখে পানি চলে এসেছিল সেদিন। 

স্যারে কাছে যতবার গিয়েছি স্যার সব সময় প্রবাসে কিভাবে আমাদের লাল সবুজের পতকাকে সম্মানের সাথে আরও উপরে তুলে ধরা যায় তা নিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করতেন। 

আমরা গর্বিত ও ধন্য আপনার মত একজন মান্যবর হাইকমিশনার পেয়েছিলাম। স্যার আপনি আমার মত লাখো প্রাবসীর মাঝে অনুপ্রেরনীয় অভিবাবক হয়ে থাকবেন। আল্লাহ আপনাকে দীর্ঘায়ূ দান করুন।
 

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার