সাতক্ষীরা সুন্দরবন থেকে পাঁচ জেলেকে আটক করেছে বন বিভাগ

Img

গত শুক্রবার বিকালে গহীন সুন্দরবনের মান্দারবাড়িয়া এলাকা থেকে মাছধরা ট্রলার ও ৫ জেলেসহ মাছ ধরা সরঞ্জাম আটক করেছে বনবিভাগের স্মার্ট পেট্রোল টিমের সদস্যরা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বনবিভাগের সদস্যরা ট্রলারসহ উক্ত জেলেদের আটক করে।

আটককৃত জেলেরা হলো- পেড়ীখালী রামপাল এলাকার তরিক শেখের ছেলে অহিদুল (১৬), আজগর গাজীর ছেলে আলমগীর (২৬), রুস্তম শেখর ছেলে রবিউল (২২), বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার বগা এলাকার মকবুল হোসেনের ছেলে আনিসুর রহমান (৩৫) ও মান্নাফ হাওলাদারের ছেলে জুয়েল হাওলাদার (২০)।

আটককৃত জেলেদের আজ শনিবার দুপুরে বন আইনে মামলা দিয়ে সাতক্ষীরা জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন র্কমর্কতা সুলতান আহমেদ।

তিনি আরো বলেন সুন্দরবনে নিষিদ্ধ এলাকায় মাছ ধরা অবস্থায় তাদেরকে আটক করেছে বন বিভাগের স্মার্ট পেট্রোল টিম ও পুষ্পকাটি ফরেস্ট টহল ফাঁড়ীর সদস্যরা।

পূর্ববর্তী সংবাদ

যশোরে করোনার উপসর্গ নিয়ে দুজনের মৃত্যু

যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে করোনা উপসর্গ নিয়ে মুকিত ইসলাম (১৫) ও সমির মোল্যা (৮৫) নামে দুজন মারা গেছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ও শনিবার ভোর চারটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান৷

কিশোর মুকিত ইসলাম মনিরামপুর উপজেলার হালসা গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে৷ মৃত বৃদ্ধ সমীর মাগুরার শালিখা উপজেলার মৃত পাচু মোল্যার ছেলে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শিশুটি জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে শুক্রবার রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হয়৷ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর চারটার দিকে মারা যায়৷

এদিকে মৃত সমিরের স্বজন রফিকুল ইসলাম জানান, গত সাতদিন ধরে ওই বৃদ্ধ জ্বরসহ নানা শারীরিক সমস্যা নিয়ে বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার সকালে তার অবস্থার অবনতি হয়। দুপুর পৌনে একটার দিকে তাকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় তিনি মারা যান।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আরিফ আহম্মেদ। তিনি জানান, মুকিত ইসলাম ও সমীর করোনার সব উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজন মারা যান। স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বজনদের কাছে তার লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার