সাতক্ষীরায় নাতিকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দাদার মৃত্যু

Img

সাতক্ষীরায় নাতিকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দাদা পরবেশ সরদারের (৬৫) মৃত্যু হয়েছে। আজ সকালে সদর উপজেলার থানাঘাটা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরবেশ সরদার থানাঘাটা গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয়রা জানান, পরবেশ সরদারের নাতি পিয়াস (১৬) টিনের চালে বিদ্যুতের তারে কাজ করছিল। তখন পিয়াস বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। তাকে বাঁচাতে দাদা পরবেশ সরদার এগিয়ে গেলে দুইজনই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। গুরুতর অবস্থায় দুইজনকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে দাদা পরবেশ সরদারের মৃত্যু হয়। পিয়াস সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পূর্ববর্তী সংবাদ

ব্রেন স্ট্রোকে মারা গেলেন যশোরের ডেঙ্গু আক্রান্ত নারী

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর ব্রেন স্ট্রোক করেন যশোরের মেহেরুন নেছা (৪০)। পরে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পথে বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে তার মৃত্যু হয়।

তিনি মণিরামপুর উপজেলার রোহিতা ইউনিয়নের সালামতপুর এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী। পরিবারের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ নিয়ে যশোরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো সাতজনে।

মেহেরুন নেছার দেবর ইসলাম মেম্বর জানান, ৬ সেপ্টেম্বর তার ভাবি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ঝিকরগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। তার অবস্থার অবনতি হলে ১০ সেপ্টেম্বর তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ব্রেন স্ট্রোক হয়। সেখানকার ডাক্তাররা তাকে উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

ওইদিনই তাকে খুলনা মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হয়। বুধবার রোগীর অবস্থা কিছুটা ভালো থাকলেও বৃহস্পতিবার ডাক্তাররা তার আশা ছেড়ে দেন এবং রোগীকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। ওইদিন রাতে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান।

রোহিতা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মানোয়ার হোসেন তার ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মেহেরুন নেছাসহ যশোরে এ পর্যন্ত মোট সাত জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় যশোরে নতুন করে ৯০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ পর্যন্ত যশোরে মোট ২ হাজার ১২১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। যশোর জেনারেল হাসপাতালের ডাক্তার আশরাফুন্নাহার অনন্যা বলেন, ‘সেপ্টেম্বরে আমরা ভেবেছিলাম রোগীর চাপ কমবে, কিন্তু ক্রমেই বাড়ছে। নতুন ক্রাইসিস হচ্ছে, রোগীর রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা খুব ভালো থাকলেও তাদের কারও কারও অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে। এ অবস্থায় রোগীকে বেশি করে তরল খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার