সাঈদীর মুক্তি চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

Img

জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মুক্তি চেয়ে ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জিহাদুল ইসলাম ফেসবুকে পোস্ট দেয়ায় দল থেকে বহিষ্কার হয়েছেন।

ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিশান মাহমুদ শামীম ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বহিষ্কৃত এই ছাত্রলীগ নেতা গত ২৯ মার্চ জিহাদুল ইসলাম নামের তার ফেসবুক পেজ থেকে জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর কারামুক্তির দাবি জানিয়েছেন।

বিষয়টি নজরে আসলে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে এক জরুরি সভায় জিহাদুলকে বহিষ্কার করা হয়।

জিহাদুল ইসলাম ঢাকার বঙ্গবন্ধু আইন কলেজের শিক্ষার্থী। এর আগে তিনি সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের ছাত্র ছিলেন। তিনি ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার বাসিন্দা।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে নাটক করে বেশিক্ষণ টিকে থাকা যায় না।

অনেকেই সুযোগ বুঝে ভোল পাল্টে দলে ভিড়েছে, কিন্তু সময়ে তাদের আসল চরিত্র প্রকাশ পায়। সাঈদীর মুক্তি চাওয়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আদর্শের পরিপন্থী।

পূর্ববর্তী সংবাদ

হুমকি দিলে জিডি করবেন কিভাবে

কোনো শত্রুপক্ষ বা যে কেউ বিনা কারণে আপনাকে উৎপাত করছেন বা হুমকি দিচ্ছেন। জমি দখলের চেষ্টা, ভয়ভীতি দেখানো কিংবা রাস্তায় বিভিন্নভাবে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছেন। তখন আপনি কী করবেন ?এ অবস্থা থেকে বাঁচার উপায় আছে আইনে।

এ আইনটি হলো ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা। তবে আদালতে যাওয়ার আগে একটি সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করে রাখতে পারেন নিকটস্থ থানায়। অনেক সময় অভিযোগটি গুরুতর হলে পুলিশ এ জিডি থেকেই নন-প্রসিকিউশন প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন।

১০৭ ধারায় মামলা রুজু করে প্রতিপক্ষকে কিংবা দায়ী ব্যক্তিকে শান্তি বজায় রাখার জন্য বন্ড বা মুচলেকা সম্পাদনের জন্য বাধ্য করা যায়। এ ধরনের মামলা করতে হয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে।

১০৭ ধারায় আশ্রয় নিলে আদালত প্রাথমিক শুনানিতে অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পেলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে মুচলেকা সম্পাদনের জন্য আদেশ দেবেন। তখন দায়ী ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হয়ে মুচলেকা সম্পাদন করতে হবে। মুচলেকায় বলতে হবে ভবিষ্যতে তিনি আর কোনো ধরনের উৎপাত করবেন না এবং ভয়ভীতি দেখাবেন না।

জিডি কিভাবে করবেন ?
জিডি সাধারণত অন্যান্য দরখাস্তের মতোই। বিষয়টি নিয়ে ঘাবড়ানোর কোনো কিছু নেই। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি বরাবর দরখাস্ত লিখতে হয়। তার নিচে থানার ঠিকানা। এরপর লিখতে হবে বিষয়। আপনি কী কারণে জিডি করছেন, সে বিষয়ে উল্লেখ করতে হবে। বিবরণ অংশে আপনার জিডির বিস্তারিত বিবরণ এবং প্রয়োজনে ঠিকানা (বর্তমান ও স্থায়ী) তুলে দিতে হবে। একেবারে নিচে আপনার নাম, যোগাযোগের ঠিকানা, ফোন নম্বর দিতে হবে।

জিডির একটি নমুনা কপি:
তারিখঃ ………………
বরাবর
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
………………..থানা, ঢাকা।
বিষয় : সাধারণ ডায়েরি ভুক্তির জন্য আবেদন।
জনাব,
আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী নাম: …………………………………
বয়স : ………………………………………………………
পিতা/স্বামী : ………………………………………………..
ঠিকানা : …………………………………………………….
এই মর্মে জানাচ্ছি যে আজ/গত …………………….. তারিখ ……………. সময় …………….জায়গা থেকে আমার নিম্নবর্ণিত কাগজ/মালামাল হারিয়ে গেছে।
বর্ণনা : (যা যা হারিয়েছে)
বিষয়টি থানায় অবগতির জন্য সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করার অনুরোধ করছি।
বিনীত
নাম:
ঠিকানা:
মোবাইল নম্বর:

এড.মোঃ সোহরাব হোসেন ভুইয়া (মিঠু)
আইনজীবী, জজকোর্ট ঢাকা/কুমিল্লা, বাংলাদেশ।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার