সাইপ্রাসে যাওয়ার ১০দিন পর লাশ হলো কলারোয়া ও ঝিকরগাছার দুই যুবক

Img

এই শোক সইবার নয়। একই সাথে ঝরে গেল দুই তাজা প্রাণ। পরিবারের সুখের আশায় তারা দু’জন গত ৩০ জানুয়ারী পাড়ি দিয়েছিলো সাইপ্রাসে। একটি ভালো কোম্পানিতে কাজও জুটেছিলো তাদের। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস একটি সড়ক দূর্ঘটনা কেড়ে নিলো পরিবারের সমস্ত আশা ভরসার একমাত্র অবলম্বনটুকুও। সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলো কলারোয়ার সাইফুল ইসলাম মালী (২৮) ও ঝিকরগাছার রিপন হোসেন (২৮)। ভাগ্যের কাছে হার মানালো তাদের ও পরিবারের স্বপ্ন।


সাইফুল ইসলাম মালী সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার ফয়জুল্লাপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেন। গ্রামের বাড়িতে মা, স্ত্রী ও একপুত্রসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রয়েছে তার। আর রিপন হোসেন বাগআঁচড়ার পার্শ্ববর্তী যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বড়পোদাউলিয়া গ্রামের শাহজান মোড়লের ছেলে। তার পরিবারেও রয়েছে এক ছেলে, স্ত্রী ও মা-বাবাসহ অসংখ্য স্বজন। বিদেশ যাওয়ার মাত্র ১০দিনের ব্যবধানে লাশ হলো সাইফুল ও রিপন। রোববার সকালে পরিবারের ঘুম ভাংলো তাদের মৃত্যু সংবাদে।


নিহত দুই বাংলাদেশির স্বজনরা জানিয়েছে-সাইপ্রাসে গত রাতে খাওয়ার পরে সাইফুল ও রিপন দুইজন বাইরে বের হয়। রাস্তা দিয়ে হাটার সময় পিছন দিক থেকে এক ঘাতক গাড়ি তাদের স্বজরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে সাইফুল মারা যায়। রিপন তখনও মৃত্যু যন্ত্রনায় ছটফট করতে থাকে। স্থানীয় পুলিশ তাকে হাসপাতালে নেয়ার পথে রিপন হোসেনও শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে। এমন হৃদয় বিদারক মৃত্যুর খবর দেশে পরিবারের কাছে পৌছালে পরিবারের আর্তনাদ আর আহাজারীতে এলাকা ভারী হয়ে ওঠে। এলাকা জুড়ে চলছে শোকের মাতম।

পূর্ববর্তী সংবাদ

সমুদ্র পথে মালয়েশিয়াগামী ২২ রোহিঙ্গা আটক

সাগরপথে কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূল দিয়ে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় ২২ রোহিঙ্গাকে আটক করেছে বিজিবি। রোববার মধ্যরাতে শাহপরীরদ্বীপ খুরেরমুখ এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় দালাল চক্রের কোনো সদস্যকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে ১০ নারী, ১১ শিশু এবং ১ জন পুরুষ রয়েছেন। তারা সবাই কুতুপালং এবং বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।

টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আছাদুদ-জ্জামান চৌধুরী বলেন, রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের উত্তর লম্বী উপকূল এলাকায় দিয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য রোহিঙ্গাদের একটি দল প্রস্তুতি নিচ্ছে- এমন খবর পেয়ে বিজিবির হাবিলদার মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় ২২ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। তার মধ্যে ১১ শিশু, ১০ নারী ও এক পুরুষ রয়েছে।

এর আগে গত দুই দিনে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ উপকূল দিয়ে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পাচারের সময় ৭০ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করা করে বিজিবি ও পুলিশ। এর মধ্যে ৩৮ জন রোহিঙ্গা নারী। -সময়ের কন্ঠস্বর

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার