হে মুসলমান ভাই বন্ধুগণ! আমরা সকলেই জানি, আল্লাহর কাছে প্রিয় ও ঈমানদার হওয়ার জন্য যে ভাবে ৫ (পাঁচ) ওয়াক্ত নামাজ জরুরী তেমনি ভাবে আপনার সম্পদের কিছু অংশ থেকে আপনার প্রতিবেশী গরীব মেহনতি অসহায় মানুষদেরকে দান-খয়রাত বা জাকাত ফিতরা দেওয়াও জরুরী এবং শরীয়তের গুরুত্বপূর্ণ বিধান।

যে সকল মুসলমান মান্যগণ্য ও বড় বড় সম্পদসালীদের অন্তর্ভুক্ত আছেন, শরীয়তের গুরুত্বপূর্ণ বিধান রক্ষার্থে, তাদের সকলের প্রতি “রশিদা শরীফ কল্যাণ ট্রাষ্ট” এর মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব এম. এ. খায়ের নিজামী মহোদয়ের এই বিনয়ী আহবান! আপনি/আপনারা (বিত্বশালীগণ) অবশ্যই নিজের পরিবারের সাথে অত্যন্ত মজাদার বা ভাল ভাল খাবার দিয়ে সেহেরী ভোজন বা ইফতারী আহরণ করে থাকেন।

যাহা আয়োজন করতে নি:সন্দেহে আপনার অনেক মোটা অংকের একটা খরচ বহন করে অবশ্যই। যেমন ১ কেজি গরুর মাংস কিংবা ১ কেজি বড় মাছ তদুপরি অন্যান্য খাবার যা কিনতে সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা বা তার চেয়েও অধিক পরিমাণ টাকা কয়েক পদের খাবারেই দৈনিক ব্যায় হয়ে থাকে।

এমনকি অতিরিক্ত সম্পদশালী হওয়ার কারণে অনেক বিত্বশালী পরিবারের এইসব ছোট অংকের পারিবারিক খরচ হিসাবের আওতায়ও আসে না। আসুন! একটু চিন্তা করি, একটু তদন্ত করি বা একটু সময় ব্যায় করে নিজে খুঁজে দেখি এই অসহায় পরিবার গুলোকে, তাহলে দেখবেন আমার আপনার পার্শ্ববর্তী অনেক অসহায়, দরিদ্র ও খেটে খাওয়া পরিবারের লোকজন ভাল কোন খাবার দিয়ে সেহেরী খেতে পারছেন না, খাবারের অভাবে ভালভাবে ইফতারী করতে পারছেন না।

সেই সমস্ত অসহায় ব্যাক্তি বা পরিবারের জন্য আমরা প্রত্যেকে যদি আমাদের একদিনের খরচ কম করে তাদের প্রতি বন্টন করে দেই তাহলে আপনার আমার পার্শ্ববর্তী এই অসহায় পরিবারগুলো আমার আপনার ১ দিনের খরচের টাকা দিয়ে কমপক্ষে ২ টি পরিবারে ইফতার সামগ্রী বন্টন করা যাবে আর আপনার দেওয়া ইফতার সামগ্রী তে ঐ প্রতিবেশীর নুন্যতম ৮/১০ দিন নিমিষে কেটে যাবে। প্রকাশ্য যে আমি আপনি একটা ভাল এবং দামি খাবার না খেলেও দিনটা অবশ্যই কেটে যাবে, তবে অসহায়দের দিনটা খুবই কষ্টের যায়, তাই তাদের দিনটা না খেতে কাটে না, তারা আমার আপনার দিকে তাকিয়ে অপেক্ষায় থাকে, কখন বিত্বশালীগণ তাদেরকে কিছু দিবেন।

তাছাড়া রমজান মাস, রহমত বরকত ও মাগফিরাতের মাস, এই মাসে রোযাদারকে ইফতার করানোর ছওয়াবটা তো আলাদা ভাবে পাবোই বরং কয়েকটি পরিবারের ভাল খাবারের ব্যাবস্থাও হয়ে যাবে। তাতে আল্লাহ পাক রাব্বুল ইজ্জত আমাদেরকে সম্পদে অনেক বরকত দান করবেন। আল্লাহ আমাদেরকে, আমাদের বিতরণী সম্পদকে এবং আমাদের নেক আমল সমুহকে কবুল করুন। আমীন! ছুম্মা আমীন!! আহবানে- এম. এ. খায়ের নিজামী প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান- রশিদা শরীফ কল্যাণ ট্রাষ্ট কাইচতলী, সুয়ালক, বান্দরবান। প্রচারে মাওলানা এমরানুল হক সাধারণ সম্পাদক- আর.এস.কে ট্রাষ্ট পরিচালনা পরিষদ।