শৌচালয়ে বরের সেলফি

Img

হবু স্বামীর বাড়ির শৌচালয় দেখাতে পারলেই পুরস্কার হিসেবে কনে পাচ্ছেন বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬০ হাজার ৯৮২ টাকা। ভারতের মধ্যপ্রদেশ সরকারের মুখ্যমন্ত্রী কন্যা বিবাহ/নিকাহ এই নিয়ম চালু করা হয়েছে। আর তাই বিয়ের আগে ছবির ফটোশুটে শৌচালয়ে বরের সেলফির ছবি যেন রীতিমতো অবধারিত হয়ে গেছে। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়-এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, কনে’কে প্রমাণ স্বরূপ দেখাতে হবে তার হবু বরের বাড়িতে শৌচালয় রয়েছে। তবেই এই প্রকল্পের সুবিধে নেওয়ার জন্য আবেদন করা যাবে আর কনে পেয়ে যাবেন পাক্কা ৫১০০০ রুপি। সেই কারণেই এমন আজব পদ্ধতির প্রচলন!

কেননা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিষয়টি যাচাই করা সরকারি কর্মকর্তাদের পক্ষে সম্ভব নয়, তাছাড়া বেশ বিব্রতকরও বটে। তাই চালু হয়েছে #SelfieStandingInToilet। শুধু গ্রামাঞ্চলেই নয়, এই একই নিয়ম প্রযোজ্য ভোপালের পুরসভা এলাকাতেও।

ভোপালের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে অনুষ্ঠিত এক গণবিবাহের ৭৪ জন হবু বরের মধ্যে সমীর (ছদ্মনাম) একজন। ভোপালের জাহাঙ্গিরাবাদের বাসিন্দা সমীর  বললেন, ‘ভাবুন, বিয়ের সার্টিফিকেটের সঙ্গে জোড়া থাকবে শৌচালয়ে বরের ছবি। আমাকে বলা হয়েছিল, এই ছবি না-দিলে কাজি নিকাহ করাবেন না।’

তবে সমাজকল্যাণ দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি জেএন কানসোটিয়ার দাবি, ‘এতে খারাপ কিছু নেই। তবে এটি আরও ভালো কিছু করা যেত।’

পূর্ববর্তী সংবাদ

মহেশপুরে সপ্তম শ্রেণির স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাথানগাছি গ্রামে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। আজ সকালে নির্যাতিতার বাবা মহেশপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছে।

মহেশপুর থানার ওসি রাশেদুল আলম জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধায় ওই স্কুলছাত্রী বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছিল। সেসময় কালুহাটি গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে নবম শ্রেণীর ছাত্র রাশেদুল তাকে পার্শ্ববর্তী কলাবাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে। মেয়েটি বাড়ি এসে ঘটনাটি জানায়। পরে মেয়েটির পিতা বাদী হয়ে সকালে মহেশপুর থানায় এসে রাশেদুল ইসলামকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনার পর রাশেদুল ইসলাম পালিয়ে যায়। মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার