শেরপুরে তেল উদ্ধার করে ন্যায্যমুল্যে জনসাধারণের মাঝে বিতরণ

Img

বগুড়ার শেরপুরে মুদি দোকানীর বাড়িতে মজুদ করে রাখা ১ হাজার ৯৬২ লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে উদ্ধারকৃত তেল ন্যায্যমুল্যে জনসাধারণের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (১৪ মে) বিকাল থেকে উপজেলার মির্জাপুর বাজার ও সাতারা গ্রামে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এর নেতৃত্ব দেন শেরপুর উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) সাবরিনা শারমিন।

জানা গেছে, মির্জাপুর বাজারের গোডাউন রোডের মুদি„ ব্যবসায়ী রুখসানা ষ্টোরের মালিক মো. আব্দুর রাজ্জাক তার গ্রামের বাড়ি সাতারায় প্রায় ৬ হাজার লিটার সয়াবিন তেলের বোতল মজুদ করেছিলেন। খবর পেয়ে এসিল্যান্ড সাবরিনা শারমিন অভিযান চালিয়ে তেলগুলো উদ্ধার করে পরে সন্ধ্যায় তা সাধারণের মাঝে ন্যায্যমুল্যে বিক্রি করা হয়।

শেরপুরের এসিল্যান্ড সাবরিনা শারমিন জানান, অবৈধভাবে সয়াবিন তেল মজুদ করায় ওই ব্যবসায়ীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

৩ দিনের রিমান্ডে পি কে হালদার

হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করে দেশ থেকে পলাতক প্রশান্ত কুমার হালদার বা পি কে হালদারকে তিন দিনের হেফাজতে নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

শনিবার পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা থেকে পি কে হালদারসহ ছয় জনকে গ্রেফতার করে সংস্থাটি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, গ্রেফতারের পর ছয়জনকে পশ্চিমবঙ্গের ব্যাঙ্কশালের আদালতে নেয় ইডির কর্মকর্তারা। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে আবেদন করলে পাঁচজনকে তিন দিন করে রিমান্ড আদেশ দেয়া হয়।

সে সঙ্গে গ্রেফতার পি কে হালদারের স্ত্রীকে এই তিন দিন জেল হেফাজতের আদেশ দেয় আদালত।

ইডির কাছে অভিযোগ ছিল বাংলাদেশ থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা পাচারের আসামি পি কে হালদার পশ্চিমবঙ্গে অবস্থান করছেন।

এরপর শুক্রবার সকাল থেকে ইডির তদন্তকারীরা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে কলকাতাসহ দুই পরগনার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায়। উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে অর্থপাচার চক্রের হোতা প্রশান্ত কুমার হালদার ও তার সহযোগী সুকুমার মৃধা এবং প্রণব কুমার হালদারের বিলাসবহুল বাড়িতে তল্লাশি চালায়। এ সময় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।

পি কে হালদারসহ চক্রের কয়েকজনের সেখানে বহু বাড়ি, জমি, ফ্ল্যাট চিহ্নিত করে সেসবের কাগজপত্র বাজেয়াপ্ত করেছে ইডির তদন্তকারীরা।

ইডি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রশান্ত কুমার হালদার পশ্চিমবঙ্গে শিবশঙ্কর হালদার পরিচয়ে ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েছেন। তিনি জালিয়াতি করে রেশন কার্ড, ভারতীয় ভোটার আইডি কার্ড, প্যান কার্ড ও আধার কার্ড নিয়েছিলেন। তার সহযোগীরাও সেখানে জালিয়াতি করে ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েছেন।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার