শীতে শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় ব্যবহার করতে পারেন এসেনশিয়াল অয়েল

Img

শীতকাল মানেই পিকনিক, ঘুরতে যাওয়া, বড়দিন, নিউ ইয়ার পার্টি, হই হুল্লোড়। তাই এই মরসুম কম-বেশি সবারই প্রিয়। কিন্তু শীতকাল মানেই ত্বকের বাড়তি সমস্যার শুরু।

শীত আসলেই রুক্ষ-শুষ্ক ত্বক, চামড়ায় ফাটল, খুশকি, এরকম নানান সমস্যায় পড়তে হয়। তাই এই সময়টা স্কিনের অতিরিক্ত যত্ন প্রত্যেককেই নিতে হয়। আর ত্বক ভাল রাখতে আমরা অনেকেই অনেক রকম প্রোডাক্ট ও ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করি। কিন্তু আপনি কি জানেন, মাত্র কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল আপনার ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে এবং আর্দ্রতা বজায় রাখতে পারে? দেখে নিন কীভাবে -

 

এসেনশিয়াল অয়েল কেন ব্যবহার করবেন?

এসেনশিয়াল অয়েলের মতো আর কোনও জিনিস আপনার ত্বককে হাইড্ৰেট রাখতে পারবে না! অনেক দামি দামি ক্রিমও হার মানবে এসেনশিয়াল অয়েলের কাছে! ক্রিম সাধারণত ত্বকে মিশে যেতে পারে না, ফলে ভিতর থেকে কোনও কাজ হয় না। এসেনশিয়াল অয়েল দ্রুত স্কিনের ভিতর ঢুকে কাজ করে। এসেনশিয়াল অয়েল অ্যারোমাথেরাপির কাজ করে। সামান্য এসেনশিয়াল অয়েলেই কাজ হয়ে যায়। এক কি দুই ফোঁটা নিয়ে অন্য কোনও তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। আমন্ড বা নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়েও ব্যবহার করলে কাজ হবে দারুণ! আরগন অয়েল ও জোজোবা অয়েলও ট্রাই করে দেখতে পারেন।

ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল

স্কিনের ড্যামেজ আটকায় এবং ত্বকে পুষ্টি জোগাতে অনেকেরই পছন্দ ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল। এটি ত্বকের লালচে ভাব দূর করে, ত্বকের চুলকানি কম করে।

ক্যারোট সিড এসেনশিয়াল অয়েল

অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর এই এসেনশিয়াল অয়েল। স্কিনকে হাইড্ৰেট রাখতে এবং ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় ত্বকের ক্ষতি রুখতে সাহায্য করে ক্যারোট সিড এসেনশিয়াল অয়েল। এটা দূষণ থেকেও ত্বককে রক্ষা করে।

ক্যামোমাইল এসেনশিয়াল অয়েল

এই এসেনশিয়াল অয়েলে থাকে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি যা ত্বককে পরিষ্কার রাখে ও ময়েশ্চারাইজ করে। এটি ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে এবং ত্বকের বয়স বাড়তে দেয় না।

জেরানিয়াম এসেনশিয়াল অয়েল

এর অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান স্কিনের লালচে ভাব দূর করে, শুষ্ক স্কিনকে পুনরুজ্জীবিত করে। রিঙ্কেলস এবং ফাইন লাইনস কমাতেও সাহায্য করে জেরানিয়াম এসেনশিয়াল অয়েল।

ফ্রাঙ্কিন্সেন্স

এটি শুষ্ক ত্বককে প্রশান্তি দেয়, ত্বকের কোষের পুনর্গঠনে সহায়তা করে। শীতকালে ত্বকের জ্বালা কমাতেও সাহায্য করে ফ্রাঙ্কিন্সেন্স।

রোজ এসেনশিয়াল অয়েল

খেয়াল করে দেখবেন শীতের বেশিরভাগ লোশন, ক্রিম, রোজ অয়েল দিয়ে তৈরি হয়। কারণ কি জানেন? রোজ অয়েলে থাকা অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান শুষ্ক ত্বকের পরিচর্চা করে। স্কিনে প্রদাহ আটকায়, জ্বালা রোধ করে।

স্যান্ডেলউড এসেনশিয়াল অয়েল

চন্দন কাঠের এসেনশিয়াল অয়েল স্কিনকে হাইড্রেট করে এবং প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে।

ভ্যানিলা এসেনশিয়াল অয়েল

ভ্যানিলা যেমন আপনার মস্তিষ্ককে শান্ত করতে সাহায্য করতে পারে, ঠিক সেইভাবেই স্কিনকে ভালো রাখতেও সাহায্য করে ভ্যানিলা এসেনশিয়াল অয়েল।

জ্যাসমিন এসেনশিয়াল অয়েল

শুধু গন্ধের কারণে নয়, জ্যাসমিনে আছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদান যা শুষ্ক ত্বক ঠিক করতে সাহায্য করে। যেকোনও গন্ধহীন লোশনের সঙ্গে ব্যবহার করতে পারেন জ্যাসমিন এসেনশিয়াল অয়েল।

- সূত্র: বোল্ডস্কাই
প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার