স্যার, আসসালামু আলাইকুম
আশা করি মহান আল্লাহর দয়ায় ভালো আছেন। শুরুতেই পবিত্র রমযানুল মোবারকের শুভেচ্ছা নিবেন। আমি আপনার প্রশাসনিক এলাকা বাঁশখালী উপজেলার বৈলছড়ী ইউনিয়নের একজন বাসিন্দা।

পবিত্র রমযানের এই মাসে লোডশেডিংয়ের চরম ভোগান্তিতে অতিষ্ঠ হয়ে আপনার বরাবরে চিঠি লিখতে বসেছি। পবিত্র রমযান মাস মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস। এই মাসটিকে মু’মিনরা ইবাদাতের মাধ্যমে কাটিয়ে দেয়। দুঃখজনক হলেও সত্য যে- এই পবিত্র মাসেও বাঁশখালীর মানুষ বিদ্যুতের যথাযথ সেবা থেকে বঞ্চিত। 

রমযানে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের কথা বলা হলেও তা মুখেই সীমাবদ্ধ। যার প্রমাণ- বৈলছড়ীতে গতকাল সকাল আটটার আগে বিদ্যুত গিয়ে বিকেল চারটায় আসা, রাত দুইটার আগে বিদ্যুত গিয়ে তিনটায় আসা, আজ সকাল সাড়ে আটটায় বিদ্যুত গিয়ে দশটা বিশ মিনিটে আসা! 

একদিকে তীব্র তাপদাহ, তার উপর বিদ্যুতের এমন লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মানুষ ঠিক মতো ঘুমাতে পর্যন্ত পারছে না। আমাদের মতো যারা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। তাদের বাসায় এসি কিংবা আইপিএস নেই। অনেকের বাসায় বিদ্যুত লাইনটাও নেই।

আপনাদের বাসায় এসবের সুবিধা নিশ্চয়ই থাকার কথা। তবুও জীবন থেমে নেই। ছুটছে গন্তব্যের দিকে। আমাদের বয়স্ক বাবারা যখন পুরোদিন রোদে পুড়ে পরিশ্রম শেষে রাতে বিশ্রাম নিতে বাড়ি ফিরে লোডশেডিংয়ের কারণে ঘুমাতে পারে না, অস্বস্তি বোধ করেন। 

তাছাড়া চলমান এইচএসসি পরিক্ষার্থীরাও ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ঠিকমতো প্রস্তুতি নিতে পারছেনা। সরকার কর্তৃক ঘোষিত রমজান মাসে বিশেষ বিদ্যুৎ সেবার বিপরীতে মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং বন্ধে আপনার জোরালো হস্তক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছেন বাঁশখালীবাসী। 

বাঁশখালী উপজেলার প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে বিদ্যুত ব্যবস্থায় এই অনিয়মের বিরুদ্ধে আপনার যথাযথ পদক্ষেপ প্রত্যাশা করে এখানেই ইতি টানছি।