স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ৪৭১ জন প্রবাসী  বাংলাদেশীকে টিকেট প্রদান করেন বৈরুত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালেব সরকার।  মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি)  দেশে ফিরতে যারা প্রথম ধাপে নাম নিবন্ধন করেছে তাদের মধ্য থেকে নারী-পুরুষ, অসুস্থ ২৪ জনসহ মোট ৪৭১ জনকে  জেনারেল সিকিউরিটি থেকে ক্লিয়ারেন্স নিয়ে exist ভিসা   পাওয়ার পর তাদেরকে টিকেট  প্রদান করে বাংলাদেশ দূতাবাস।  পূর্ব নির্ধারিত সময়  সকাল ৯টা থেকে নারী এবং দুপুর ২টায়  পুরুষকর্মীদের হাতে টিকেট  প্রদান করার কার্যক্রম শুরু হয়। টিকেট পাওয়া প্রবাসীরা আগামী ১৫ থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি ছয়টি ফ্লাইটে দেশে ফিরবেন।

টিকেট প্রদান অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালেব সরকার বলেন, লেবানন জেনারেল সিকিউরিটিতে যেই নতুন নিয়ম চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অর্থাৎ ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও চোখের মার্ক নিয়ে সপ্তাহে ৫০ জন প্রবাসীর ছাড়পত্র দেয়ার কথা।  তাদেরকে অনেক কষ্টের বিনিময় বুঝিয়ে বলার সক্ষম হয়েছেন রাষ্ট্রদূত। ফলে এবারে কিছুটা বিলম্ব হলেও সামনে বাকীদের জন্য সহজ হয়েছে বলেন। 

তিনি আরো বলেন, প্রথম  ও দ্বিতীয় ধাপে প্রায় পাঁচ হাজার প্রবাসীর  নাম নেওয়া হয়েছে আরো বেশি নেয়ার  ইচ্ছা ছিল কিন্তু দূতাবাসের আশেপাশে আরও যে অফিস-আদালত আছে প্রবাসীদের এমন জড়ো হয়ে   তাদের সমস্যা হওয়াতে এবং তাদের অনুরোধ নাম নেয়া স্থগিত করে দূতাবাস।

 রাষ্ট্রদূত বলেন, তাদের অনুরোধে দূতাবাসে এই কার্যক্রম বন্ধ রেখে একটা নিরাপদ জায়গা খুঁজছে। যেখানে সকল প্রবাসীদের নাম নেওয়া যায় তাই দূতাবাস চাচ্ছেন একটা স্টেডিয়াম বা একটা কমিউনিটি সেন্টার পাওয়া মাত্রই  অচিরে আবার নাম নেওয়া  শুরু করবেন।এই ধাপে স্বেচ্ছায় ফিরতে আগ্রহী  সবার নাম নেয়ার আশ্বস্ত করে  সবাইকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ করেন রাষ্ট্রদূত।  
   
এছাড়া  তিনি বলেন, আজকে ৪৭১ জনকে দেশে ফিরতে টিকেট দেওয়া হয়েছে আগামী দু'সপ্তাহের মধ্যে আরও প্রায় ৪৭০/৪৭৫ জনের টিকেট দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। আগামী তারিখ থেকে এক-দেড় মাসের মধ্যে আরও প্রায় দুই হাজার জনকে টিকেট দেওয়ার আশা ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূত।

অবশেষে দীর্ঘ সাড়ে চার বছর দূতাবাসের দায়িত্ব ইতি দিয়ে দেশে চলে যাচ্ছেন বলে সবার নিকট দোয়া চেয়েছেন। তিনি সকল প্রবাসীদের মঙ্গলময় জীবন কামনা করেন।