লালমনিরহাটে শুভ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

Img

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ঢাকা মোহাম্মাদপুর তাজমহল রোডের ১/২৪ এর বাসিন্দা জাকারিয়া বিন হক (শুভ) এর নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলার সাধারণ জনগণের আয়োজনে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টায় উপজেলার তুষভান্ডার তার নিজ এলাকা লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে এই মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ, তুষভান্ডার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর ইসলাম আহমেদ,উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আজাদ বাবু,প্রেসক্লাব সভাপতি আমিরুল ইসলাম হেলাল,সাধারণ সম্পাদক লিটন পারভেজ,প্রথম আলোর প্রতিনিধি আব্দুর রব সুজন,আবু তালেব মিলু সহ শুভ পরিবার ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

মানববন্ধন কর্মসূচীতে উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, শুভর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে আমরা একজন মেধাবী ছেলেকে হারিয়েছি। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করেন। এবং শুভর স্ত্রী ও শ্বাশুরীর দ্রুত গ্রেপ্তার দাবি জানিয়েছেন।

পূর্ববর্তী সংবাদ

ঈদগাঁহ মাঠের কর্তৃত্ব নিয়ে বিরোধ, আ.লীগ নেতাকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ঈদগাঁহ মাঠের কর্তৃত্ব নিয়ে বিরোধে জাহাঙ্গীর আলম (৫৫) নামের এক আওয়ামী লীগের নেতাকে পিটিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। 

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের খোকশাহাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার ছোট এলাঙ্গী গ্রামের খোকা প্রামানিকের ছেলে। তিনি এলাঙ্গী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং খোকসাহাটা ঈদগাঁহ মাঠের সভাপতি।

স্থানীয়রা ও আহত জাহাঙ্গীর আলমের স্বজনেরা জানিয়েছেন, জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে খোকসাহাটা ঈদগাঁহ মাঠের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ওই ঈদগাঁহ মাঠের সীমানা প্রাচীরসহ বিভিন্ন ধরণের উন্নয়ন কাজ করেছেন। কিন্ত ওই ঈদগাঁহ মাঠের কর্তৃত্ব নিজেদের হাতে নিতে খোকশাহাটা গ্রামের আবুল কালাম, জিল্লুর রহমান ও আব্দুল ছালামসহ বেশ কয়েকজন সংঘবদ্ধ হন। 

এ বিষয়টি নিয়ে জাহাঙ্গীর আলমের সাথে তাদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

রোববার সকালের দিকে জাহাঙ্গীর আলম খোকশাহাটা ইটভাটা থেকে ব্যবসায়িক কাজ শেষ করে বাড়ির দিকে রওনা হন। পথিমধ্যে খোকশাহাটা গ্রামের রাস্তায় পৌঁছলে আবুল কালাম, জিল্লুর, ছালাম ও তাদের লোকজন জাহাঙ্গীর আলমের উপর হামলা চালায়। এসময় তাকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে জাহাঙ্গীরকে উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এদিকে ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা আত্মগোপনে থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, এই বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ঘটনাটি শুনেছি।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার