লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত পবিত্র আরাফাত ময়দান

Img
ফাইল ছবি

‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়াননি’ মাতা লাকা ওয়ালমুলক লা শারিকা লাকা’ ধ্বনিতে তারা জানান দিচ্ছেন তাদের উপস্থিতির কথা। সঙ্গে পাপমুক্তির বাসনায় মহান আল্লাহর স্তুতি গাইছেন, ‘হে আল্লাহ তোমার কোনো শরিক নেই’।

আজ পবিত্র হজ। জিলহজ মাসের ৯ তারিখ আরাফার ময়দানে উপস্থিত হওয়ার নামই হজ। পবিত্র নগরী মক্কা থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এ স্থানে একত্রিত হওয়া হজের অন্যতম রোকন। ৯ জিলহজ সূর্যাস্তের আগে আরাফার ময়দানে উপস্থিত না হলে হজই হবে না। 

পবিত্র মক্কা-মদিনায় হাজির হওয়া বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ধর্মপ্রাণ মুসলমান আজ বৃহস্পতিবার আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়েছেন।

জিলহজের ৯ তারিখে হাজি সাহেবরা যখন আরাফার ময়দানে অবস্থান করেন তখন তাদের ওপর আল্লাহ তায়ালার তরফ থেকে অগণিত রহমত নাজিল হতে থাকে। অসংখ্য আদম সন্তানকে মাফ করে দেয়া হয়। এই অবস্থা দেখে শয়তানের গায়ে জ্বালা শুরু হয়। এবং আরাফার দিন শয়তান যতটুকু রাগান্বিত হয় অন্য কোনো সময় এত রাগান্বিত  হয় না। হাদিসে এসেছে  ‘শয়তান অন্যকোনো দিনে নিজেকে এত ছোট, অপদস্ত মনে করে না যতটুকু আরাফার দিনে মনে করে। ওকে এতবেশি রাগান্বিত কখনো দেখা যায় না যতটুক আরাফার দিনে দেখা যায়। তার এই অবস্থার কারণ হচ্ছে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে রহমত নাজিল হওয়া এবং অগণিত গোনাহগার বান্দাকে ক্ষমা করে দেয়া। (মুয়াত্তা ইমাম মালেক)।

হজরত আয়শা (রা.) থেকে বর্ণিত অন্য এক হাদিসে এসেছে, নবী করিম (সা.) বলেন, আরাফার দিনে যে পরিমান বান্দাকে আল্লাহ তায়ালা মুক্ত করেন, অন্যকোনো সময়ে তা হয় না। আল্লাহ তায়ালা তখন আপন রহম ও দয়ার গুণের সঙ্গে আরাফায় অবস্থানকারী বান্দাদের কাছাকাছি চলে আসেন। তারপর ফেরেস্তাদের সঙ্গে ফখর করে বলেন, তারা (আরাফায় অবস্থানকারী বান্দারা) কী চায়? (সহিহ মুসলিম)। রহমত ও দয়ার গুণের সঙ্গে আরাফায় অবস্থানকারীদের নিকটে এসে যাওয়ার দ্বারা ইঙ্গিত হচ্ছে বান্দাদেরকে ক্ষমা করে দেয়া।

প্রতিক্রিয়া (৫৯২) মন্তব্য (০) শেয়ার (১৭)