রেকর্ড গড়া জুটিতে বাংলাদেশের দাপুটে দিন

Img

তরুণ ব্যাটার মাহমুদুল হাসান জয় যে নিউজিল্যান্ডের জন্য বিধ্বংসী, সেটা প্রমাণিত হলো আরও একবার। ২০২০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, পচেফস্ট্রুমে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। নিউজিল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। কিউই যুবাদের ২১১ রান সহজেই টপকে যায় টাইগার যুবারা। সেঞ্চুরি করে দলের কাজ সহজ করেন তিনে নামা মাহমুদুল হাসান জয়। ২ বছর বাদে আবার নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি জয়, এবার জাতীয় দলের হয়ে।

নিজের ২য় টেস্ট হলেও নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথম টেস্ট। ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি, নেইল ওয়েগনারদের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে নতুন বল সামলানোটা চাট্টিখানি কথা নয়। তবে জয় সামলালেন, সামলালেন কাইল জেমিসনের পেস, রাচিন রবীন্দ্র’র স্পিনও। মাউন্ট মাউঙ্গানুইয়ের বে ওভালে প্রমাণ দিলেন নিজের সক্ষমতার। অধিনায়ক মুমিনুল হক কেনো তাকে ভবিষ্যতের সুপারস্টার বলেছেন তাও কিছুটা স্পষ্ট হল।

২য় দিনে ২১১ বল মোকাবেলা করে ৭০ রান করে অপরাজিত আছেন মাহমুদুল হাসান জয়। ৩৩.১৭ স্ট্রাইক রেটে রান করা জয় যে একেবারে সুযোগ দেননি তা না, নেইল ওয়েগনার রিভিউ নিলে সাজঘরে যেতে পারতেন ২০ রান করেই। তবে তা হয়নি, ভাগ্য কথা বলেছে সাহসী জয়ের পক্ষে। আর তাতেই বে ওভালে দারুণ এক দিন কেটেছে বাংলাদেশের।

তিনে নেমে দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ২২ রান করে সাদমান ইসলাম ফিরে যাবার পর মাহমুদুল হাসান জয়ের সঙ্গে ১০৪ রানের জুটি গড়েন শান্ত। নেইল ওয়েগনারের দ্বিতীয় শিকার হবার আগে ১০৯ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে করেন ৬৪ রান। রাচিন রবীন্দ্রকে ছক্কা হাঁকিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি পূর্ণ করেছিলেন দুই টেস্ট সেঞ্চুরির মালিক শান্ত। সেই সাথে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রানেরও রেকর্ড গড়েছে শান্ত-জয়।১০৪ রানের জুটির পর আউট হন শান্ত। নিউজিল্যান্ডের প্রথম দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে একশো রানের জুটি এটিই। এর আগে দ্বিতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ ৬৭ রানের জুটি গড়েছিলেন মার্শাল আইয়ুব ও তামিম ইকবাল। ২০১৩ সালে সেটিও ছিল হোম অব ক্রিকেট খ্যাত মিরপুরে।

তাদের রেকর্ড গড়া ব্যাটিংয়ে ২ উইকেটে ১৭৫ রান করে ২য় দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ। ৭০ রানে জয়, ৮ রান করে মুমিনুল হক অপরাজিত। বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে ১৫৩ রানে।

 

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার