যে শর্তে সৌদি প্রবাসীরা কফিলের অনুমতি ছাড়াই চাকরি পরিবর্তন করতে পারবেন!

Img

সৌদি আরবের মানবসম্পদ এবং সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৮টি পরিস্থিতিতে কোন সৌদি প্রবাসী কর্মচারী তার কফিল এর অনুমতি ছাড়াই চাকরি পরিবর্তন করতে পারবেন। সম্প্রতি সৌদি আরবে সংস্কার হওয়া শ্রমিক আইনের প্রেক্ষিতে এই ঘোষণা দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

সৌদি আরবে সম্প্রতি সংস্কার হওয়া শ্রম আইন অনুযায়ী, ৫টি পরিস্থিতিতে একজন প্রবাসী শ্রমিক চাকরী পরিবর্তন এর সুবিধা লাভ করতে পারবেন। এছাড়াও কোন চাকরীদাতা ৪টি পরিস্থিতিতে নতুন প্রবাসী কর্মচারীর শ্রমসেবা লাভ করতে পারবেন। এছাড়াও ৮টি শর্তে কফিলের অনুমতি ছাড়াই চাকরি পরিবর্তন করতে পারবেন প্রবাসী কর্মচারী।

৮ টি পরিস্থিতিতে বা শর্তে প্রবাসী কর্মচারী মালিকের অনুমতি ছাড়াই নিজের চাকুরী পরিবর্তন করতে পারবেনঃ 

১/ সৌদি আরবে প্রবেশের পরে ৩ মাস কাজ করার পরেও বর্তমান মালিকের সাথে লিখিত কর্মচুক্তি না থাকলে।

২/ একটানা তিনমাস যদি মালিক কর্মচারীকে বেতন দিতে অসমর্থ হয়।

৩/ মালিক যদি ভ্রমন, জেল, বা মৃত্যুজনিত কোন কারনে প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকে।

৪/ কর্মচারীর কাজের পারমিট বা রেসিডেন্সি পারমিট (ইকামা) এর মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেলে।

৫/ কর্মচারী যদি মালিকের করা যেকোন কারচুপির ব্যাপারে অভিযোগ জারি করে।

৬/ কর্মচারীর কাছে যদি প্রমান থাকে যে মালিক মানব পাচার এর সাথে জড়িত।

৭/ কর্মচারী ও মালিক এর মধ্যে যদি শ্রম আইনে কোন মামলা চলমান থাকে এবং মালিক বা মালিকের প্রতিনিধি আদালতের দুইটি শুনানিতে অনুপস্থিত থাকে।

৮/ কর্মচারীর ট্রান্সফারে বর্তমান মালিকের সম্মতি থাকলে।

এছাড়াও ৫টি শর্তে প্রবাসী কর্মচারী চাকরি পরিবর্তনের সুবিধা পাবেনঃ 

১/ তিনি প্রবাসী একজন বিশেষজ্ঞ হলে।

২/ সৌদি আরবে প্রথমবার প্রবেশের পর বর্তমান মালিকের অধীনে ১ বছর কাজ করে থাকলে।

৩/ কর্মচারীর কাছে লিখিতভাবে ওয়ার্ক কন্ট্রাক্ট থাকলে।

৪/ মন্ত্রণালয় এর কিওয়া পোর্টালের মাধ্যমে কোন চাকুরির প্রস্তাব পেলে।

৫/ বর্তমান মালিককে চাকুরী পরিবর্তন এর ব্যাপারে জানানো এবং নির্দিষ্ট সময় রেখে অবগত করা।

৪ টি পরিস্থিতিতে বা শর্তে কোন মালিক একজন নতুন প্রবাসী কর্মচারীর চাকুরী ট্রান্সফার করার জন্য অনুরোধ করতে পারেনঃ

১/ মালিকের প্রতিষ্ঠানটি নিয়ম ও শর্ত মোতাবেক ভিসা প্রাপ্ত হবার যোগ্য।

২/ প্রতিষ্ঠানটি ওয়েজ প্রোটেকশন প্রোগ্রাম এর সাথে সহাবস্থানে থাকলে।

৩/ প্রতিষ্ঠানটি শ্রমচুক্তি লিপিবদ্ধ এবং ডিজিটাইজেশন প্রোগ্রাম এর সাথে সম্মত থাকলে।

৪/ প্রতিষ্ঠানটি স্ব-মূল্যয়ন প্রোগ্রাম এর সাথে সম্মত হলে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার