যেসব প্রসাধনী ফ্রিজে রাখলে দীর্ঘ দিন ভালো থাকবে

Img
ছবি সংগৃহীত

শীত হোক বা গরম- সব সময়ই মাছ, মাংস, তরিতরকারিতে ফ্রিজ ভরে থাকে। বিশেষ করে গরমকালে ফ্রিজের অর্ধেকটাই ভরতি থাকে নানা রকম খাবারদাবারে। তবে এই গরমে শুধু শাকসবজি নয়, শখের প্রসাধনীগুলিও ভালো রাখতে তুলে রাখুন ফ্রিজে।

কোন তিনটি প্রসাধনী ফ্রিজে রাখলে দীর্ঘ দিন ভালো থাকবে চলুন জেনে নেয়া যাক- ১)নাইটক্রিম: নাইট ক্রিম হোক বা আন্ডার আই ক্রিম, যেকোনো ধরনের ক্রিম দীর্ঘ দিন ভালো রাখতে ফ্রিজে তুলে রাখুন। ২) লিপস্টিক: লিপস্টিকের শখ রয়েছে অনেকেরই। বিভিন্ন রঙের লিপস্টিকও নিজের সংগ্রহে রাখারও শখ আছে। লিপস্টিকে এক ধরনের তেলজাতীয় পদার্থ থাকে। বাইরের গরম আবহাওয়ায় রাখলে লিপস্টিক বেশি দিন ভালো থাকে না। তাই লিপস্টিকগুলি ভাল রাখতে ফ্রিজে তুলে রাখুন। ৩) নেলপালিশ: মেয়েদের অন্যতম প্রিয় প্রসাধনী হলো নেলপালিশ।

বাইরের তাপে নেলপালিশের রং নষ্ট হয়ে যেতে পারে। নেলপালিশ ফ্রিজে রাখলে জমাট বাঁধবে না, আবার নখেও দীর্ঘ দিন স্থায়ী হবে।

পূর্ববর্তী সংবাদ

ভারতে পাচার হওয়া ৬ নারী জেল খেটে দেশে ফিরলেন

ভারতে পাচার হওয়া ৬ নারী বিভিন্ন মেয়াদে জেল খেটে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল চেকপোস্ট হয়ে দেশে ফিরেছে।

বুধবার (১১ মে) সন্ধ্যা ৬ টার সময় তাদের ভারতের ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

ফেরত আসারা হলো, ঢাকা জেলার ইদ্রিস আলীর মেয়ে মিতু আক্তার ( ২০) মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর থানার আব্দুস শুকুর এর মেয়ে মৌমিতা রায় (২২) যশোর জেলার শার্শা থানার আমলা গ্রামের গফফার আলীর মেয়ে জরিনা বেগম (২৩) ঢাকার আবিদ মিয়ার মেয়ে সীমু রহমান (২২) শেরপুর জেলার জাবেদ আক্তার এর মেয়ে রিয়া আক্তার (২১) ঢাকা জেলার জব্বার খানের মেয়ে জারা খান (২১)। তারা ভারতের আদালতের মাধ্যেমে মহারাষ্ট্রের পাজোলা নামে একটি শেল্টারহোমে ছিল।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি রাজু আহমেদ বলেন, ভালো কাজের আশায় এরা বিভিন্ন সীমান্ত পথে ভারতে যায়। সে দেশে কাজ করার সময় পুলিশের কাছে আটক হয়ে তারা জেলে যায়। এরপর তারা দুই থেকে তিন বছর জেল খেটে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যেমে দেশে ফেরে। ইমিগ্রেশন এর আনুষ্টানিকতা শেষে তাদের পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

যশোর রাইটস এর এরিয়া কোয়ার্ডিনেটর মুহিদ চৌধুরী বলেন, পাচার হওয়ার শিকার নারীদের বেনাপোল থানার আনুষ্ঠানিকতা শেষে যশোর নিয়ে শেল্টার হোমে রাখা হবে। এরপর পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

 

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার