যেসব খাবারে কমবে ওজন

প্রবাসীর দিগন্ত | লাইফস্টাইল ডেস্ক : জানুয়ারী ১৬, ২০১৮

অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য আমরা অনেক পদ্ধতি অনুসরণ করি। কোনোটি না জেনে আবার কোনোটি ভুল উপায়ে।

রাতারাতি ওজন কমানোর কোনো ম্যাজিক্যাল পদ্ধতি নেই। ওজন কমানোর জন্য শারীরিক ব্যায়ামের পাশাপাশি খাবারের দিকেও খেয়াল রাখা দরকার। গবেষকরা এমন বেশ কিছু খাবারের ব্যাপারে প্রমাণ দিয়েছেন, যেগুলো ওজন কমাতে সহায়ক। এ নিয়ে দুই পর্বের প্রতিবেদনের আজ থাকছে শেষ পর্ব।

বাদাম

বেশ কিছু পরীক্ষা পর ডাক্তাররা এখন বাদাম খাওয়ার কথা বলছেন নিয়মিত। বাদামে শরীরের জন্য উপকারী ফ্যাট থাকে যা মোটেও ওজন বাড়িয়ে তোলে না। বরং নিয়মিত বাদাম খেলে স্মৃতিশক্তি ভালো থাকে। ওয়ালনাটে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে এবং কাঠ বাদামে রয়েছে ক্যালসিয়াম। তাই আপনি নির্দ্বিধায় আপনার রোজকার খাদ্য তালিকায় বাদাম রাখতে পারেন।

মাছ

আপনার ডাক্তার যদি আপনাকে ফ্যাট খেতে বলে বিশেষ করে আপনি যখন ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাহলে তা আপনার কাছে বেশ আশ্চর্যকর শোনাবে। দ্য ব্রিটিশ জার্নাল অব নিউট্রিশনের গবেষণায় বলা হয়েছে, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ওজন বৃদ্ধি করে না। বরং এটি শরীরের জন্য ভালো। আর এই ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মূল উৎস হল, স্যামন, টুনা, ম্যাকরেল কিংবা হেরিং মাছ। এসব সামুদ্রিক মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। তাই আপনি ওজন কমানোর প্রয়াস করলে আপনার খাদ্য তালিকাতে তৈলাক্ত মাছ রাখতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত দুই দিন মাছ খাওয়া উচিত।

আপেল এবং নাশপাতি

আপেল এবং নাশপাতি দুই ফলেই ফ্লাভোনোইডস নামের এক ধরনের কেমিক্যাল আছে, যা শরীরে মেদ জমা রোধ করে। তাই ওজন কমাতে চাইলে এই দুই ফলের কোনো বিকল্প নাই। আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনের একটি গবেষণাতে বলা হয়, যেসব মহিলারা নিয়মিত এই দুই ফল গ্রহণ করেন তাদের ওজন বৃদ্ধির হার কম। শুধু তাই নয় এটি শরীরে ক্যালরির মাত্রা ঠিক রাখে, মাংসপেশিতে পর্যাপ্ত গ্লুকোজ পৌঁছে দেয় এবং শরীরে মেদ বা ফ্যাট জমতে দেয় না।

শস্যদানা

ডায়েটের ক্ষেত্রে শস্যদানা খুবই ভালো। বিশেষ করে তিসিবীজ। এটি এতোটাই স্বাস্থ্যকর যে প্রতিটি মহিলার এটি দরকার। দ্য ব্রিটিশ জার্নাল অব নিউট্রিশনের গবেষণায় বলা হয়, যেসব মহিলারা তাদের লোয়ার বডি ফ্যাটজনিত সমস্যায় ভুগছেন তাদের ডায়েট লিস্টে অবশ্যই শস্যদানা থাকা উচিত। তিসিবীজ গুঁড়া করে তা প্রতিদিন দই অথবা সালাদের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন।

ভিনেগার

আমরা সবাই জানি ঘরের ছোট বড় অনেক কাজেই ভিনেগার ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তবে এটা জানেন কি, ভিনেগার আপনার শরীরের জন্যও ভালো। গবেষণায় বলা হয়, ভিনেগার শরীরে এনজাইম তৈরি করে যা মেদ জমতে দেয় না। নিয়মিত প্রায় ১ টেবিল চামচ ভিনেগার দুধ বা সোডার সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। অথবা ভিনেগার দিয়ে রান্না করতে পারেন তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই ভালো কোনো শেফের পরামর্শ নেবেন আগে।

তথ্য:

বিভাগ:

প্রকাশ: জানুয়ারী ১৬, ২০১৮

প্রতিবেদক: প্রবাসীর দিগন্ত

পড়েছেন: 856 জন

মন্তব্য: 0 টি

সূত্র: অনলাইন