যেভাবে নিবেন ‘মুভমেন্ট পাস’

Img

কঠোর লকডাউনে চলাচলে আবেদনের হিড়িক পড়েছে পুলিশ কর্তৃক চালু হওয়া ‘মুভমেন্ট পাস’ ওয়েবসাইটে। মঙ্গলবার এ সেবাটি চালু হওয়ার প্রথম ঘণ্টায় ১ লাখ ২৫ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। আর প্রতি মিনিটে আবেদন জমা পড়ছে প্রায় ১৫ হাজার। আর এতেই মুভমেন্ট পাসের ওয়েবসাইটটির (https://movementpass.police.gov.bd) সার্ভার ডাউন দেখাচ্ছে। মাঝেমধ্যে স্বাভাবিক থাকলেও আবেদন প্রক্রিয়া সারতে নিচ্ছে দীর্ঘ সময়।

উদ্ধোধনের দিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে এ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন আবেদনকারীরা।

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, ‘আগামীকাল থেকে আপনাদের ঘরের বাইরে বের হতে হলে লাগবে মুভমেন্ট পাস। একজন ব্যক্তি ইন্টারনেট ব্যবহার করে মোবাইল কিংবা কম্পিউটারে খুব সহজেই এ পাস নিতে পারবেন। মুভমেন্ট পাস নিতে সময় লাগবে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মতো।’

মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) রাজারবাগ পুলিশ লাইনস অডিটরিয়ামে করোনা সংক্রমণ রোধে বিধিনিষেধ চলাকালে জরুরি প্রয়োজনে মুভমেন্ট পাস অ্যাপসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, ‘মহামারির মধ্যেও কেউ যদি জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হতে চান তাহলে তাকে মুভমেন্ট পাস নিতে হবে। মুভমেন্ট পাস নিতে কোনো ঝামেলা পোহাতে হবে না। মাত্র ৩০ সেকেন্ডেই এ পাস নেয়া যাবে। একজন ব্যক্তি তার মোবাইল কিংবা কম্পিউটার ব্যবহার করে পাস নিতে পারবেন। তবে একটি মোবাইল নম্বরে একবারই এ পাস নেয়া যাবে।’

তিনি বলেন, ‘কেউ যদি মুভমেন্ট পাস নিতে না চায় তাহলে আমরা তাকে জোর করব না, এটা জোর করার বিষয় না। আমরা কাউকে বাধ্য করছি না। তবে আমরা নাগরিকদের সহযোগিতা করছি। বাজার, করোনার টিকার ডেটসহ অতিপ্রয়োজনীয় কাজ থাকলেও বের হওয়া যাবে। এমনকি অ্যাম্বুলেন্সে রোগী যাওয়ার প্রয়োজন হলেও মুভমেন্ট পাস লাগবে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে চলমান লকডাউনে মানুষের অনিয়ন্ত্রিত ও অপ্রয়োজনীয় চলাচল রোধে এবং জরুরি বিশেষ প্রয়োজনে যাতায়াত নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশ চালু করছে এ পাস। দেশের যে কোনো নাগরিক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কয়েকটি তথ্য সরবরাহ করে খুব সহজেই এ পাস সংগ্রহ করতে পারবেন।’

আইজিপি বলেন, ওয়েবসাইটে পাস নিতে গেলে আবেদনকারী কোথা থেকে কোথায় যাবেন, তা জানতে চাওয়া হবে। সেসব তথ্য ধাপে ধাপে প্রদান করতে হবে। এরপর আবেদনকারীর একটি ছবি আপলোড করে ফর্মটি জমা দিতে হবে। জমা দেওয়া ফর্মে আবেদনকারী প্রদত্ত তথ্যাবলীর ভিত্তিতে পাস ইস্যু করা যাবে। ওয়েবসাইট থেকেই পাসটি ডাউনলোড করে সংগ্রহ করা যাবে। চলাচলের সময় কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারকে পাস প্রদর্শন করতে হবে।’

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার