যেভাবে অভিযোগ করবেন ভোক্তা অধিকারে

Img

ভোক্তা হিসেবে আপনি কী কোনোভাবে প্রতারিত হয়েছেন। পণ্যের দামে ঠোকেছেন। অথবা প্রতিশ্রুত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাহলে প্রতিকারের জন্য যেতে পারেন ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে। নিয়ম মেনে খুব সহজেই প্রতারক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেই পাবেন প্রতিকার। ভোক্তা ন্যায্য বিচারের সঙ্গে পাবেন পুরস্কারও।

অভিযোগ দায়েরের পদ্ধতি ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ধারা ৭৬ (১) অনুযায়ী, ‘যেকোনো ব্যক্তি, যিনি, সাধারণভাবে একজন ভোক্তা বা ভোক্তা হইতে পারেন, এ অধ্যাদেশের অধীন ভোক্তা-অধিকারবিরোধী কার্য সম্পর্কে মহাপরিচালক বা এ উদ্দেশ্যে মহাপরিচালকের নিকট ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে অবহিত করিয়া লিখিত অভিযোগ দায়ের করিতে পারিবেন।’ যেখানে অভিযোগ দায়ের করা যাবে মহাপরিচালক, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, ১ কারওয়ান বাজার (টিসিবি ভবন-৮ম তলা), ঢাকা, ফোন: +৮৮০২ ৮১৮৯৪২৫ জাতীয় ভোক্তা অভিযোগ কেন্দ্র, টিসিবি ভবন- ৯ম তলা, ১ কারওয়ান বাজার ঢাকা, ফোন: ০১৭৭৭ ৭৫৩৬৬৮, ই-মেইল: [email protected] উপ-পরিচালক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, টিসিবি ভবন, বন্দরটিলা, চট্টগ্রাম, ফোন: ০৩১-৭৪১২১২ উপ -পরিচালক, রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, শ্রীরামপুর, রাজশাহী, ফোন: +৮৮০৭ ২১৭৭২৭৭৪ উপ-পরিচালক, খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, টিসিবি ভবন, শিববাড়ী মোড়, খুলনা, ফোন: ০৪১-৭২২৩১১ উপ-পরিচালক, বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, মহিলা ক্লাব ভবন, বরিশাল, ফোন: +৮৮০৪ ৩১৬২০৪২ উপ-পরিচালক, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, বিভাগীয় কমিশনারেরকার্যালয়, সিলেট ফোন: ০৮২১-৮৪০৮৮৪ উপ-পরিচালক, রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, নিউ ইঞ্জিনিয়ার পাড়া, রংপুর, ফোন: ০৫২১-৫৫৬৯১ প্রত্যেক জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।

যেভাবে অভিযোগ দায়ের করতে হবে দায়েরকৃত অভিযোগ অবশ্যই লিখিত হতে হবে। ফ্যাক্স, ই-মেইল, ওয়েব সাইট, ইত্যাদি ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে বা অন্য কোন উপায়ে- অভিযোগের সঙ্গে পণ্য বা সেবা ক্রয়ের রশিদ সংযুক্ত করতে হবে।

অভিযোগকারী তার পূর্ণাঙ্গ নাম, পিতা ও মাতার নাম, ঠিকানা, ফোন, ফ্যাক্স ও ই-মেইল নম্বর (যদি থাকে) এবং পেশা উল্লেখ করবেন।

পূর্ববর্তী সংবাদ

বাজে খাবারকে সুস্বাদু করে তোলার ৭টি ম্যাজিক ট্রিক

অতি পাকা রাঁধুনিরও মাঝে মাঝে রান্না খারাপ হয়। কখনো খাবারে স্বাদ আসে না, কখনো পুড়ে যায়, কখনো গলে যায়, কখনো তেতো হয়ে যায়, কখনো হয়ে যায় মশলা বেশি বা কম, অতিরিক্ত লবণ বা চিনি পড়ে যায় ইত্যাদি আরও কত কী! এছাড়া রেস্তরাঁ থেকে আনা খাবারও যে সবসময় খেতে সুস্বাদু হয়, এমন কিন্তু নয়। তাহলে কী করবেন এই বিষাদ খাবারগুলো, ফেলে দেবেন?

মোটেও না! জেনে নিন ৭টি দারুণ কৌশল, যা কিনা আপনার বিস্বাদ খাবারকেও চোখের পলকে ভীষণ সুস্বাদু করে তুলবে।

১) মাংসের কারি রান্না করেছেন, কিন্তু ঝোল বেশি পাতলা হয়ে গিয়েছে? কিংবা কেন যেন খেতে ঠিক ভালো লাগছে না, ঝাল বেশি হয়েছে, মশলা কষানো হয়নি তাই বাজে গন্ধ আসছে, কিংবা মশলা পুড়ে গেছে বলে তেতো লাগছে স্বাদ? একেবারেই চিন্তার কিছু নেই। বেশ খানিকটা পেঁয়াজ বেরেশ্তা করুন, ভাজার সময়েই মাঝে দিন আস্ত গরম মশলা। এবার এই ভাজা বেরেশ্তা দিয়ে দিয়ে তরকারিতে। ভালো করে নেড়ে, আঁচ কমিয়ে দমে রাখুন ১৫/২০ মিনিট। মাংসের ঝোলের সমস্ত সমস্যা কমে যাবে, তরকারিটা মুখে দেয়ার যোগ্য হয়ে যাবে।

২) মাংসের ঝোলের তরকারিতে খুব বেশি লবণ বা ঝাল দিয়ে ফেলেছেন? এত বেশি যে মুখেই দেয়া যাচ্ছে না? যোগ করুন দুধ। সাথে সামান্য চিনি। তারপর ঢাকনা দিয়ে অল্প আছে দমে রাখুণ। লবণ ও ঝাল দুটোই কমে যাবে।

৩) গ্রিল চিকেন, শিক কাবাব বা অন্য যে কোন কাবাব জাতীয় খাবার খেতে খুব বাজে হয়েছে? কিংবা বেশি পুড়িয়ে ফেলেছেন বা লবণ-মশলা অতিরিক্ত হয়ে গেছে? চিন্তার কিছু নেই, এই সমস্যারও আছে সমাধান। এমন খাবারের সাথে পরিবেশন করুন একটি বিশেষ রায়তা। টক দইকে চিনি, সামান্য লবণ, চাট মশলা, মিহি ধনে পাতা-পুদিনা পাতা কুচি ও সরষে তেল দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এই রায়তা কাবাব জাতীয় খাবারের সব ত্রুটি ঢেকে দেবে।

৪)আলুর চপ, পরোটা ইত্যাদি তৈরি করেছেন কিন্তু বিস্বাদ লাগছে খেতে? কিংবা লবণ-মশলা কম হয়েছে? ওপরে ছড়িয়ে দিন আপনার প্রিয় যে কোন স্বাদের চাট মশলা। মুহূর্তেই মাঝেই সুস্বাদু হয়ে উঠবে।

৫) ফ্রাইড রাইস, পোলাও বা বিরিয়ানি বেশি নরম হয়ে গেছে এবং এটাকে আবার ঝরঝরে করে তুলতে চান? ছড়ানো কোন পাত্রে খাবারটি ঢেলে ফ্যানের নিচে শুকাতে দিন। খুব ভালো করে ঠাণ্ডা হয়ে গেলে অনেকটা ঝরঝরে হয়ে আসবে,তখন ছড়ানো কড়াইতে গরম করে নিন।

৬) ভাজাভুজি জাতীয় স্ন্যাক্স তৈরি করেছেন, কিন্তু স্বাদ হয়নি বা রান্না বাজে হয়ে গিয়েছে? সাথে পরিবেশন করিন এই বিশেষ সসটি। সোম পরিমাণ মেয়নেজ ও টমেটো কেচাপ নিন। সাথে যোগ করুন খানিকটা চিলি সস, গোলমরিচ গুঁড়ো, লেবুর রস, পানি। ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এই দারুণ সস দিয়ে খেলে সমস্ত বাজের খাবারও সুস্বাদু মনে হবে।

৭) মাছের ঝোল থেকে আঁশটে গন্ধ আসছে? ঝোলের মাঝে টমেটো টুকরো করে দিন। তারপর ভাজা জিরার গুঁড়ো ছড়িয়ে দিয়ে দিন প্রচুর ধনেপাতা। ঢাকনা দিয়ে দমে রাখুন। এবার দেখুন তরকারিতে কি মিষ্টি সুঘ্রাণ।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার