মেহেরপুরে হত্যা মামলায় আটজনের যাবজ্জীবন

Img

মেহেরপুরে আবুবক্কর শাহ নামে এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যার দায়ে আটজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এসএম আ. সালাম এ রায় দেন।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি পিপি পল্লব ভট্টাচার্য্য জানান, ২০১০ সালের ১৪ জুন গাংনী উপজেলার করমদী গ্রামে কৃষক আবু বক্কর শাহ মাঠে কৃষিকাজ করতে যাওয়ার সময় তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে শাহাবুদ্দিন বাদী হয়ে গাংনী থানায় ১১ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। এর মধ্যে দুজন মারা গেছেন ও একজনকে খালাস দেয়া হয়েছে।

মামলাটির দীর্ঘ শুনানির পর আজ মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এসএম আ. সালাম আট আসামির যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেন। অভিযুক্ত আসামি এনামুল হক, জাহিদুল ইসলাম, আব্দুল বারী, রমজান আলী, মোহাম্মদ আলী, সিরাজুল ইসলাম, আলতাফ হোসেন, মিন্টু ইসলামের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের জেল রায় প্রদান করেছেন।

পূর্ববর্তী সংবাদ

প্লে-স্টোর থেকে তিনটি জনপ্রিয় অ্যাপ মুছে ফেলেছে গুগল

শিশুদের তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় তিনটি অ্যাপের ব্যাপারে কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে গুগল। হাতে প্রমাণ পাওয়ার পরই প্লে-স্টোর থেকে প্রশ্নবিদ্ধ তিনটি অ্যাপ মুছে ফেলেছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ এ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি। 

মুছে ফেলা তিনটি অ্যাপ princess salon, number coloring cats &cosplay শিশুদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। স্মার্টফোন হাতে নিলেই শিশুরা অ্যাপটি ব্যবহার করে থাকে। করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউনে থাকা দেশের শিশুরা এ তিন অ্যাপ বেশি ব্যবহার করেছে। 

সংবাদ মাধ্যম জানায়, তিন অ্যাপের বিরুদ্ধে শিশুদের তথ্য সংরক্ষণ করে রাখার অভিযোগ উঠে। এতে শিশুদের তথ্য নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠায় প্লে- স্টোর থেকে মুছে দিয়েছে গুগল। 

এর আগেও বেশ কিছু অ্যাপের ক্ষেত্র সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় সেগুলোকে প্লে-স্টোর থেকে সরিয়ে দিয়েছে গুগল। মূলত শিশুদের তথ্য চুরি করার কারণেই তাদের পক্ষ থেকে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। 

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা জানান, এসব অ্যাপের বিরুদ্ধে সংরক্ষণে থাকা তথ্য নো থার্ড পার্টির কাছে বিক্রি করছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগের পর গবেষণা করে অ্যাপগুলোর বিরুদ্ধে তথ্য বিক্রির একাধিক প্রমাণ মিলেছে। 

এদিকে অ্যাপগুলো থেকে কীভাবে তথ্য চুরি হচ্ছিল বা কারা চুরির সঙ্গে জড়িত তা সম্পর্কে জানা যায়নি। তবে তথ্য হাতিয়ে নেয়ার প্রমাণ হাতে পেয়েই অ্যাপগুলো মুছে ফেলল গুগল।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার