মালয়েশিয়ায় ব্যবসায়ীর ১৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে কয়েক জন প্রবাসী

Img

মালয়েশিয়ায় ব্যবসায়ীর ১৬ লাখ টাকার বেশি হাতিয়ে নিয়েছে কয়েক জন প্রবাসী বাংলাদেশি। মালয়েশিয়াস্থ কুয়ালালামপুর  বাংলাদেশী মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এলমা সার্ভিসের প্রায় ৮৩ হাজার রিংগিত বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১৬ লাখেরও বেশি টাকা বকেয়া নিয়ে পরিশোধ না করে গা ঢাকা দিয়েছে কয়েক জন প্রবাসী। বিভিন্ন সময়ে বকেয়া নিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রাহক এখন গা ঢাকা দিয়েছেন।

এর মধ্যে অধিকাংশ ক্রেতা রয়েছে বাংলাদেশী প্রবাসী এছাড়া নেপাল এবং পাকিস্তানি প্রবাসীও রয়েছেন।

এঘটনায় কুয়ালালামপুরে বালাই পুলিশের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বকেয়া টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য এবং গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এলমা সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী মোঃ ইব্রাহিম মিয়া ও ম্যানেজার মালয়েশিয়ান নাগরিক নন্দ কুমার কুয়ালালামপুরস্থ ব্যবসায়ীক কার্যালয়ে শুক্রবার (১৬ জুলাই)  রাত ৮ এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন।

এসময় নন্দ কুমার বলেন, ২০১৭ সাল থেকে এলমা সার্ভিস রাজধানীর আমপাং এ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর মুদির দোকান পরিচালনা করে আসছেন। যার বেশিরভাগই বাংলাদেশী প্রবাসী ক্রেতা তাছাড়াও পাকিস্তানি ও নেপালী নাগরিক ও রয়েছেন। দোকান থেকে পন্য সামগ্রী বকেয়া নিয়ে এক সময়ে মোটা অংকের বিল হওয়ার পর তারা অন্যত্র চলে গেছেন অনেক চেষ্টা করে তাদের হদিস পাওয়া যায়নি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়েছে। তাদের সাথে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন।

প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী দাউদকান্দি উপজেলার ইব্রাহিম মিয়া জানান, ২০১৭ সাল থেকে আমার ব্যবসা শুরু করি। ২১০৯ থেকে প্রবাসীদের মাঝে বাকি দেওয়া শুরু করি তারপর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ২ বছরের ৮৩ হাজার রিংগিত বাকি পড়ে যায়। এসময়ে প্রায় অর্ধ শতাধিক ক্রেতা বিভিন্ন সময়ে বকেয়া নিয়ে সেটা পরিশোধ না করেই তারা আত্মগোপন চলে যান।  আমি তাদের সাথে যোগাযোগ এর চেষ্টা করে ও ব্যর্থ হয়েছি এবং এতদিন ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করে পুলিশ রিপোর্ট করে মিডিয়ার মাধ্যমে তাদের অবহিত করে আমার পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

প্রবাসী ফজলুল হক জানান,  মুদি দোকানের ব্যবসা করতে গিয়ে বাকি দিতেই হয়।  আর সেটা করতে গিয়ে সে ৮৩ হাজার রিংগিত এখন হারাতে বসেছে ব্যবসায়ী ইব্রাহিম। প্রবাসীরা কুয়ালালামপুরে একসাথে ১০ জন ২০ জন করে ম্যাচে খাবার খায় এভাবে জিনিসপত্র নিচ্ছে মাস শেষে বেতন পেয়ে টাকা পরিশোধ করে দেয়। একটা সময় যখন বিল বেশি হয়ে যায় তখন টাকা পরিশোধ না করেই পালিয়ে যায়।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার