মালয়েশিয়া প্রবাসী সাংবাদিক কাজী আশরাফুল ইসলামের জন্মদিনের শুভেচ্ছা

Img

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব মালয়েশিয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল প্রবাসী দিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক কাজী আশরাফুল ইসলামের শুভ জন্ম দিন আজ ৮ ফেব্রুয়ারি।

দীর্ঘদিন মালয়েশিয়ায় অবস্থানকালে কর্মের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের খবরাখবর তুলে ধরেন সাংবাদিক কাজী আশরাফুল ইসলাম।

আজ তার জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়েছেন, প্রবাসী দিগন্তের প্রধান সম্পাদক মোহাম্মদ ফরহাদ আমির, প্রকাশক মোহাম্মদ আবুল হাসনাত, ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক ডাঃ মোহাম্মদ আলাউদ্দিন সিদ্দিকী, সহযোগি সম্পাদক জহিরুল ইসলাম হিরন, বার্তা সম্পাদক শেখ সেকেন্দার আলী, সহকারী সম্পাদক মোঃ সোহরাব হোসেন ভূঁইয়া, যুগ্ম বার্তা সম্পাদক মোঃ ইমরান মিয়া, সহ-সম্পাদক নূর মো. কামরুল হাসানসহ প্রবাসী দিগন্তের সকল সাংবাদিক বৃন্দ।

এছাড়াও জন্ম দিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার কর্মরত সাংবাদিক, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

পূর্ববর্তী সংবাদ

চট্টগ্রামে বইমেলার পর্দা উঠছে সোমবার

সৃজনশীল লেখক-প্রকাশকদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত মেলা অমর একুশে বইমেলা। ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রামেও বেশ কবছর ধরে সাড়া ফেলছে এই বইমেলা। সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকেল তিনটায় মেলার পর্দা উঠবে এবং মেলার শুভ উদ্বোধন হবে। মুজিববর্ষে বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত ২০ দিনব্যাপী এই মেলা চলবে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। সভাপতিত্ব করবেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

গত বছরের মতো ঢাকা-চট্টগ্রামসহ সারাদেশের সৃজনশীল প্রকাশকদের অংশগ্রহণে এ মেলা চলবে প্রতিদিন বিকেল তিনটা থেকে রাত নয়টা এবং ছুটির দিন সকাল দশটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত।

সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদ থেকে জানা যায়, সারা দেশের দুইশ-র অধিক প্রকাশনা থাকছে এবারের বইমেলায়, সাথে থাকছে লিটলম্যাগ কর্নারও। ইতোমধ্যে প্রস্তুত মেলার আসন্ন কর্মকাণ্ড। একসময় প্রকাশনায় চট্টগ্রাম এগিয়ে ছিলো। ভারত থেকেও লেখকরা চট্টগ্রাম এসে বই করত। মাঝখানে ঝিমিয়ে পড়লেও এখন আবার পুরোনো ঐতিহ্যে ফিরে যাচ্ছে চট্টগ্রামের প্রকাশনা। ঢাকার অমর একুশে গ্রন্থমেলা চলছে। আগে লেখকরা রাজধানীকেন্দ্রিক বই করত। এখন আর রাজধানীকেন্দ্রিক বই করেন না। চট্টগ্রামেও এখন সারাদেশের সাথে পাল্লা দিতে পারে এমন, বেশ ভালো ভালো প্রকাশনার জন্ম হয়েছে এবং হচ্ছে। আগামীতে এইরকম আরও প্রকাশনার জন্ম হবে।

চট্টগ্রামের প্রকাশকদের সাথে কথা বলে জানা গেল, এখন চট্টগ্রামের বাঁধাই, মুদ্রণ ও সম্পাদনা অনেক উন্নত যার দরুণ চট্টগ্রামের লেখকদের সাথে সাথে সারা দেশের লেখকদের আস্থাও এখন চট্টগ্রামমুখী। দেশের বাইরের লেখকদেরও বই হচ্ছে চট্টগ্রাম থেকে। শুধু অমর একুশে বইমেলাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে পাঁচশ-র অধিক বই হচ্ছে।

চট্টগ্রাম একসময় প্রকাশনার দিকে বেশ সুনাম অর্জন করলেও পঁচাত্তর পরবর্তী সে ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলে। এখন আবার সেই পুরোনো ঐতিহ্যে ফিরে যাচ্ছে চট্টগ্রামের প্রকাশনা সংস্থা। সামাজিক যোগাযোগ, ব্যক্তি যোগাযোগ ও প্রকাশনার সুনামের দরুণ ঢাকার সাথে সাথে সারাদেশের লেখকরা বই করার জন্য চট্টগ্রামকে বেছে নিচ্ছে। ততমধ্যে আরেকটি হলো বইমেলা।

সারাবছর বই প্রকাশিত হলেও মেলা উপলক্ষে প্রকাশনার কাজ বেড়ে যায়। এবং এই বইমেলাকে কেন্দ্র করে নানান লেখক বই করে থাকেন। বর্তমানে চট্টগ্রামে ভালো প্রকাশনার মধ্যে রয়েছে বাতিঘর, বলাকা, খড়িমাটি, চন্দ্রবিন্দু, অক্ষরবৃত্ত, তৃতীয় চোখ, শৈলী ইত্যাদি। যেখানে বাতিঘর এবার বই প্রকাশ করছে প্রায় ৬০টা, খড়িমাটি প্রায় ৮০টা, বলাকা প্রায় ৭৫টা, চন্দ্রবিন্দু প্রায় ৬০টা, অক্ষরবৃত্ত প্রায় ৮০টা এবং তৃতীয় চোখ প্রায় ২০টার মতো বই করছে। এতো বইয়ের মধ্যে চট্টগ্রামের পাশাপাশি সারা দেশের লেখক রয়েছে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার