​ব্যা​​রেলের মধ্যে লুকিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না এক বাংলাদেশীর। অবশেষে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। একদিকে দেশত্যাগের সুযোগ অন্য দিকে অভিযান। মালয়েশিয়ায় সহকারের কঠোর অবস্থানের ফলে অবৈধভাবে অবস্থান করা বিদেশি অভিবাসিদের গ্রেপ্তারে জোর অভিযান পরিচালনা করছে মালয়েশিয়ার ৪ বাহিনী।

প্রতিদিন কোথাও না কোথাও আটক হয়ে জেলে যেতে হচ্ছে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের। মালয়েশিয়ার তেরেংগানু প্রদেশের কেমামান এবং ডুংগানয়ের  বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন,পাইপের ফ্যাক্টরি এবং রেস্টুরেন্টে  সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১১ টার দিকে অভিবাসন বিভাগের অভিযানে আটক করা হয় বাংলাদেশীসহ বিভিন্ন দেশের ১৬২ জনকে।

আটককৃতদের যাচাই-বাছাই শেষে গ্ৰেফতার করা হয় ৬২ জনকে। আটককৃতদের মধ্যে বাংলাদেশের ২৯, ইন্দোনেশিয়ার ১৭ জন। বাকিরা ইয়ামান থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও মায়ানমারের নাগরিক।

তেরেংগানু ইমিগ্ৰেশ প্রধান রাহিম হানাফি জানান, অভিযানের সময় ৩১ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি গ্রেপ্তার এড়াতে ব্যারেলের মধ্যে লুকিয়ে ছিলো।

আমাদের সন্দেহ হলে চেক করে তাকে আটক করি। এসময় সে বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।

তিনি আরো বলেন, আমরা অবৈধভাবে অবস্থান করা বিদেশি অভিবাসিদের দেশটাকে সুযোগের পরেও যারা এদেশে অবৈধভাবে অবস্থান করবেন তাদেরকে যেকোনো মূল্যে আমরা গ্রেফতার করব।

উল্লেখ্য আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত মালয় রিংগিত ৭০০ জরিমানা দিয়ে মালয়েশিয়া ত্যাগের সুযোগ দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার।

সম্প্রতি প্রেসক্লাব অব মালয়েশিয়ার একটি অনুষ্ঠানে অবৈধ বাংলাদেশিদের মালয়েশিয়া সরকারের সাধারণ ক্ষমার সুযোগ গ্রহণ করে দেশে ফেরার  আহ্বান জানান হাইকমিশনার।