মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলবে তবে ঢাকা কি করছে!

Img

অভিবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইন ও বিধি অনুযায়ী এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে ঢাকার (এজেন্ট, বি এম ই টি এবং মন্ত্রণালয়, মালয়েশিয়ান হাইকমিশন ও ঢাকা ইমিগ্রেশন) ভূমিকা ১ নং। কারণ ঢাকা চাইলে -

✓ হাইকমিশনের মতামত ছাড়াই কর্মী পাঠাতে পরে,

✓ ২৫ জনের কম হলে মন্ত্রণালয়ের ও হাইকমিশনের মতামত ছাড়াই বিদেশে পাঠাতে পরে,

✓ কিছু কিছু ক্ষেত্রে বি এম ইটি মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়াই এবং হাইকমিশনের মতামত ছাড়াই পাঠাতে পরে,

✓ ট্যুরিস্ট , স্টুডেন্ট, প্রফেশনাল ভিসায় বি এম ই টির ক্লিয়ারেন্স লাগে না এবং হাইকমিশনের মতামত ছাড়াই পাঠাতে পারে,

✓ মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তার অনুমতি দেয় মালয়েশিয়ান অথরিটি সেখানে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মতামত নিষ্প্রয়োজন,

✓ মেডিকেল পরীক্ষা করার ক্ষেত্রেও হাইকমিশন নিষ্প্রয়োজন,

✓ ঢাকাস্থ মালয়েশিয়ান হাইকমিশন কর্তৃক ভিসা প্রদানেও বাংলাদেশ হাইকমিশন নিষ্প্রয়োজন,

✓ ঢাকা ইমিগ্রেশন ছেড়ে দিতে আর মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন প্রবেশ করতে দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ হাই কমিশনের মতামত নিষ্প্রয়োজন,

✓ রিক্রুটমেন্ট হয় ঢাকায় এ ক্ষেত্রে হাইকমিশন নিষ্প্রয়োজন ,

✓ এমপ্লয়মেন্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ঢাকা এ ক্ষেত্রে হাইকমিশন নিষ্প্রয়োজন,

✓ আর মানব পাচারের ক্ষেত্রে ত কোন কিছুর তোয়াক্কা করে না। প্রশ্ন করতে পারেন হাইকমিশনের ভূমিকা কি? উত্তর:

১। হাইকমিশন দুই দেশের সরকারের মধ্যে সংযোগ করে দিতে পারে। ২। বাংলাদেশ সরকারের কোন মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সই করতে পারে।

৩। নিয়ম কানুনের মধ্যে , সুবিধা আদায় করতে সহযোগী হতে পারে (যেমন MoU করে দিতে পারে)। ৪। যে কারণে হাইকমিশনের বিরুদ্ধে কথা বলা হয় সেটা হলো হাইকমিশন ভিয়েনা কনভেনশনের আওতায় তার দেশের নাগরিকের জন্য কনস্যুলার সেবা দিতে পারে।

এই সেবা প্রদানের পূর্বে অবশ্যই হোস্ট কান্ট্রির অনুমতি নিতে হয়। কর্মীদের ক্ষেত্রে পোস্ট এমপ্লয়মেন্ট (কাজে যোগ দেবার পর): পাসপোর্ট সমস্যা, ভিসা সমস্যা, কাজ, বেতন ভাতা থাকা সমস্যা, চিকিৎসা সমস্যা, ফিরে যেতে সমস্যা। ইদানিং দেশের বাড়িতে সমস্যা হলে হাইকমিশনের মাধ্যমে প্রতিকার আদায়।

এ ছাড়া অন্যান্য কনস্যুলার সেবা । তাই মূল মানে যেখানে শুরু সেখানে যদি সব ঠিক থাকে তাহলে কোন সমস্যা হবে না। যেমন অনেক দেশের দূতাবাস তার সরকারকে মালয়েশিয়ায় লোক পাঠাতে বলুক না কেন সে দেশ উপযুক্ত মনে করে না তাই পাঠায় না ।

কর্মী বিদেশে ভাল না মন্দ থাকবে সেটা সে দেশে শুরুতেই নির্ধারিত হয়। তাই জ্ঞানীর বাণী Charity begans at home এর বিকল্প নাই।

লেখক: আবু সালেহ মালয়েশিয়া প্রবাসী।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার