মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত

Img

মালয়েশিয়ায় প্রাইভেট কারের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির সাথে ধাক্কা লেগে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এছাড়াও আহত হয়েছেন আরো চার বাংলাদেশি।

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সাড়ে আটটার দিকে দেশটির তেরেংগানুর লাদং গাজাহ মাটির কাছে কিলোমিটার (কেএম) ৪৯ জালান জেরঙ্গা-জাবোরের রাস্তার পাশে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রায়ভেট কারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থলেই নিহত হন বাংলাদেশি মোঃ হাসানুজ্জামান (৫৮)। এসময় তার অন্য চার বন্ধু আহত হয়।  
এদিকে, দুঙ্গুন জেলা পুলিশ সুপার বাহারুদিন আবদুল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতদের আরও চার বন্ধু, যাদের বয়স ২৪ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ছিল তারাও গুরুতর আহত হয়েছিল।

পুলিশ জানায়, নিহতের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ডুঙ্গুন হাসপাতালের ফরেনসিক ইউনিটে পাঠানো হয়েছে এবং আহত চারজনকে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

নিহত বাংলাদেশির দেশের বাড়ি কোথায় তা এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত যানা যায়নি।

পূর্ববর্তী সংবাদ

স্কুলছাত্রী নীলা হত্যা: মিজান সাত দিনের রিমান্ডে

সাভারে স্কুলছাত্রী নীলা রায়কে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার মিজানুর রহমানের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) তাকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ।

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা সাভার থানার এসআই নির্মল চন্দ্র ঘোষ।

এসময় আসামি পক্ষের আইনজীবী মামলার জামিন আবেদন করেন এবং রাষ্ট্রপক্ষে সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আনোয়ারুল কবীর বাবুল জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন। উভর পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব আহসান সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে মিজানুরের বাবা আবদুর রহমান চৌধুরী (৬০) ও মা নাজমুন্নাহার সিদ্দিকা (৫০) ২ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনীম তাদের এই রিমান্ড আদেশ দেন।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে সাভারের হেমায়েতপুর এলাকার পদ্মার মোড় থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আলামত হিসেবে নীলা হত্যায় ব্যবহৃত একটি ছুটি জব্দ করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে নীলা রায় ও তার ভাই অলক রায়কে পথরোধ করে মিজানুর রহমান। তার ভাইয়ের কাছ থেকে নীলাকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। পরে রাতে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নীলাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নীলার বাবা নারায়ণ রায় পরের দিন মিজানুর রহমান, তার বাবা আব্দুর রহমান ও মা নাজমুন নাহার সিদ্দিকাকে আসামি করে সাভার থানায় হত্যা মামলা করেন।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার