মান্দায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে দরিদ্র পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

Img

নওগাঁর মান্দায় উত্তরা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক রবিউল ইসলামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দরিদ্র পরিবারের মাঝে পবিত্র রমজানের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার মান্দা উপজেলার ভালাইন ইউনিয়নের লক্ষীরামপুর গ্রাম হতে এই কর্মসূচি শুরু করা হয়।

সকালে তিনি নিজে মানুষের বাড়ি বাড়ি ৪০টি পরিবারের মাঝে এই উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন এবং এইভাবে ৭ টা গ্রামে দৈনিক বাড়ি বাড়ি গিয়ে মোট ৪০০ পরিবারের পাশে তিনি দাঁড়াবেন বলে জানায়।

এই বিষয়ে রবিউল ইসলাম জানায়,  তিনি চান দেশের এই করুণ সময় যেন সমাজের যারা ধনী আছে তারা যেন এই অসহায় পরিবারের পাশে থাকে। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে হেফাজত করেন এবং এই মহামারি হতে আল্লাহ যেন সবাইকে রক্ষা করেন।

পূর্ববর্তী সংবাদ

চট্টগ্রামে ইফতারের হাঁকডাক নেই

দুপুরের পর থেকেই চট্টগ্রাম নগরের অলিগলি, বড় সড়ক সবখানেই শুরু হয় ইফতারের হাঁকডাক। হোটেল-রেস্তোরাঁ, মসজিদ, জিইসির মোড়, স্টেডিয়াম এলাকার আশপাশ, বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকার ফুটপাতসহ পুরো নগর পরিণত হয় বড়-ছোট ইফতারি বাজারে। প্রতিটি সড়কের পাশে সামিয়ানা টানিয়ে বসে ইফতারের পসরা। বিকেলের আগেই শুরু হয় ভাজাভাজি। তপ্ত কড়াই থেকে ছেঁকে ছেঁকে তোলা হতে থাকে বেগুনি, পেঁয়াজু, চপ, জিলাপিসহ নানা রকমের খাবার। পাশেই টেবিল পেতে চলে বিক্রি। নগরজুড়ে কত দোকান তার কোনো হিসেব নেই, ক্রেতাও তেমনি অগুনতি। প্রতি বছরের রমজানের প্রথম দিন থেকেই এটিই ছিল স্বাভাবিক চিত্র। অথচ এবারের চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো।

মরণঘাতী করোনার কারণে চেনা দৃশ্যপটের দেখা মেলেনি কোথাও। সংক্রমণ এড়াতে নগরীর রাস্তায়, ফুটপাতে ইফতারসামগ্রী বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে পুলিশ। গতকাল রমজানের প্রথম দিনে নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরেও ইফতারের জন্য মানুষের ভিড় দেখা যায়নি। লাইন বেঁধে ইফতার কেনার অপেক্ষা নেই। অন্যবারের মতো ফুটপাত দখল করে কোনো দোকান বসেনি। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের এ বছর বাড়িতেই ইফতার করতে হবে-জানিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিন পুলিশ (সিএমপি)। বলা যায়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে এবারের রমজানে চট্টগ্রামবাসীর শত শত বছরের ঐতিহ্য, আনন্দ, উচ্ছ্বাস প্রায় বিলীন।

এদিকে ইফতার বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ক্ষুদে ব্যবসায়ীরা। বছরের অন্য সময় যারা ঝালমুড়ি, ছোলা-বাদামসহ নানা খাদ্যসামগ্রী ফেরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন মূলত তারাই রমজান মাসে ইফতার কেনা-বেচা করেন। রমজানে নগরীর ছোট-ছোট যেসব হোটেল বন্ধ থাকে তারাও এ মৌসুমী ব্যবসা শুরু করেন। বড় বড় সড়ক ছাড়াও পাড়া-মহল্লার মোড় এবং গলিপথেও ছোট-বড় দোকানে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকার পণ্য কেনা-বেচা হত।

তবে বড় পরিসরে না হলেও নগরের কয়েকটি দোকান ও রেস্টুরেন্টে ইফতারসামগ্রী বিক্রি হতে দেখা গেছে। এর মধ্যে অন্যতম এনায়েত বাজার মোড়ের রয়েল বাংলা সুইট হাউস। চাহিদার কথা বিবেচনা করে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত ইফতার বিক্রি হবে বলে দোকানের কর্মচারীরা জানান। পাশেই ক্যাফে জুবিলী হোটেলের সামনে ফুটপাতে টেবিল বসিয়ে ইফতারির পসরা সাজিয়েছেন তারা। এছাড়াও অলিগলিতে কিছু ছোটখাটো হোটেল ও চায়ের দোকানে ইফতারি বিক্রি হয়।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার