২১শে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা করেছে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ প্রস্তাবিত কমিটি। শনিবার রাতে রাজধানী কুয়ালালামপুরের একটি হোটেলে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি মকবুল হোসেন মুকুলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মালয়েশিয়া কুয়ালালামপুর ইউনিভার্সিটির সিনিয়র প্রফেসর এটি,এম ইমদাদুল হক। সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সাঈদুর রহমানের কোরআন তেলোওয়াত ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান মনিরের পরিচালনায় ও এতে প্রধান বক্তা ছিলেন বীরমুক্তিযোদ্ধা শওকত হোসেন পান্না । বিশেষ অতিথি ছিলেন, আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও উপদেষ্টা জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সহ-সভাপতি দাতো আক্তার হোসেন প্রমুখ। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, এ সময় বক্তারা বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবীতে যারা জীবন দিয়েছেন, শহীদ হয়েছেন তারা এই বাংলার অমর সন্তান। তাই এই অমর সন্তানদের আত্মতাগের জন্য ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেসকোর এক ঘোষণায় ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায়। আজ আমরা পৃথীবির বুকে মাথা উঁচু করে একুশের ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করতে পারি। আমরা সেই জাতি, যে জাতি ভাষার জন্য বুকের তাজা রক্ত বিলিয়ে দিতে কার্পণ্য করেনি। এসময় বক্তব্য রাখেন, মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক কামরুজ্জামান জামান কামাল, যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক শাহীর সরদার, আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন মুরাদ হোসেন, সাইফুল ইসলাম সিরাজ, আওয়ামী লীগ মহিলা সম্পাদিক ফারজানা সুলতানা, যুবলীগ নেতা মনির দেওয়ান, সেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি বি,এম বাবুল হোসেন, শ্রমিক লীগ সভাপতি নাজমুল ইসলাম বাবুল, যুবলীগ সদস্য জহিরুল ইসলাম জহির, রেজাউল হক লায়ন, সেচ্ছাসেবক লীগ সহ-সভাপতি জালাল উদ্দিন সেলিম, সাধারন সম্পাদক, তরিকুজ্জামান মিতুল, শ্রমিক লীগ সহ-সভাপতি শাহ আলম হাওলাদার, সাধারন সম্পাদক আবুল হোসেন, আম্পাং শাখা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ বাদল, মালয়েশিয়া ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি কবিরুজ্জামান জীবন প্রমুখ । মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ ও ছাত্রলীগ সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যাক নেতা কর্মী আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভায় ভাষা শহীদ ও ঢাকার চকবাজারে অগ্নিকান্ডে নিহত সকলের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।