মাঝ আকাশে বিমানের মধ্যেই যাত্রীর আত্মহত্যা

Img

মাঝ আকাশে বিমানের মধ্যেই আত্মহত্যা করেছেন এক যাত্রী। তিনি মিশর থেকে রাশিয়াগামী একটি ফ্লাইটে ফিরছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে বিমানের টয়লেটে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে জানা যায়, মিশরের শার্ম এল-শেখ রিসোর্ট থেকে যাত্রা করা এস৭ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে করে রাশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় সামারা শহরে ফিরছিলেন ওই যাত্রী। ফ্লাইট ছাড়ার কিছুক্ষণ পরই তিনি টয়লেটে যান। এরপর এক ফ্লাইট পরিচালক তাকে প্লেনের বাথরুমে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।

এই ঘটনার পর বিমানটি কায়রোতে জরুরি অবতরণ করে। তবে ততক্ষণে চিকিৎসকরা ওই যাত্রীকে আর বাঁচাতে পারেননি। পরবর্তীতে ওই একই বিমানে করে তার মরদেহ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ওই যাত্রীর পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে।

বাজা টেলিগ্রাম নিউজ চ্যানেল জানিয়েছে, তার নাম আলেক্সান্ডার, বয়স ৪৮ বছর। ওই যাত্রী সম্ভবত গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

পূর্ববর্তী সংবাদ

আরেকটি ইসলামি দেশকে আনকা ড্রোন দিবে তুরষ্ক

তুরস্কের সংবাদমাধ্যম হাবেরতুর্ক জানায়, দীর্ঘদিন ধরে টার্কিশ অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ ও সেন্ট্রাল এশিয়ার দেশটির মধ্যে আলোচনা চলছিল। আলোচনার পর অক্টোবরে ড্রোন নিয়ে তাদের মধ্যে চুক্তি সই হয়।

২০২১ সালের মে মাসে কাজাখস্তানের সঙ্গে তুরস্কের সামরিক ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য একটি চুক্তি সই হয়েছিল।

ওই প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, আরও দুই ক্রেতার সঙ্গে আনকা ড্রোন নিয়ে আলোচনা চলছে। টার্কিশ অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ এ ধরনের ড্রোন প্রথম রপ্তানি করার জন্য চুক্তি করে তিউনিসিয়ার সঙ্গে। একটি চুক্তির আওতায় এ কোম্পানি তিউনিসিয়ান এয়ারফোর্স কমান্ডকে তিনটি আনকা ড্রোন ও তিনটি গ্রাউন্ড কনট্রোল সিস্টেম দেবে।

আনকা ড্রোন তৈরি করেছে টার্কিশ অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের প্রকৌশলীরা। ২০১০ সালের ৩০ ডিসেম্বর প্রথম এ ড্রোন আকাশে উড়ে।

এর আগে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছিল, মধ্য এশিয়ার দেশ কিরগিজস্তান তুরস্কের ড্রোনের চালান শিগগির পেতে যাচ্ছে।

কিরগিজস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির চেয়ারম্যান কামচিবেক তাশিয়েভ বলেছিলেন, আমরা তুরস্কের কাছে বায়রাক্তার টিবি-২ (ট্যাকটিকেল ব্লক ২) ড্রোনের অর্ডার দিয়েছি।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার