মহামারিতে শহরগুলোতে ‘নতুন দরিদ্র’ হবে ১০ কোটি মানুষ

বিষয়: করোনাভাইরাস
Img

বিশ্বের বিভিন্ন শহরের ১০ কোটি মানুষ নতুন করে দরিদ্র হবে আশঙ্কা নগর বিশেষজ্ঞদের। ম্যাপিং টুল ব্যবহার করে এখনই দরিদ্র ও অরক্ষিত এসব জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিত করতে হবে এবং বস্তিতে যথেষ্ট বিনিয়োগ করার আহ্বান তাদের।

বিশ্বের বড় বড় শহরে গড়ে ওঠা ঘনবসতিপূর্ণ বস্তিগুলো করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে মারাত্মক ঝুঁকিতে। সেখানে বিশ্বদ্ধ পানির অভাবের পাশাপাশি পয়ঃনিষ্কাশণ ব্যবস্থা কিংবা স্বাস্থ্যসেবার মান নিম্নগামী। বিশ্ব ব্যাংক, ওয়ার্ল্ড রিসোর্স ইন্সটিটিউট ও অন্য নগর গবেষণার বিশেষজ্ঞরা এ আশঙ্কার কথা জানান।

বিশ্বব্যাংকের নগর, দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, স্থিতিস্থাপকতা ও বৈশ্বিক স্থল কার্যক্রমের গ্লোবাল ডিরেক্টর সামেহ ওয়াহবা বলেছেন, ‘শহরগুলোতে যাদের সবচেয়ে বেশি সাহায্য দরকার, যারা গরীব ও অরক্ষিত তাদের দিকে আমাদের নজর দেওয়া দরকার। আমাদের হিসাবে চাকরি, আয় ও জীবিকা নির্বাহের পথ হারিয়ে সম্ভবত ১০ কোটি মানুষ তথাকথিত নতুন দরিদ্র হবে।’

তিনি আরো সতর্ক করে বলেছেন, মহামারি শেষে আগামী বছর শহরগুলোতে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ কমে যেতে পারে। তাতে বস্তির উন্নয়নে বিনিয়োগ করা কঠিন হয়ে পড়বে শহর কর্তৃপক্ষের জন্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে অনেক শহর কর্তৃপক্ষের কাছেই বস্তিগুলোর অবস্থা সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য নেই। তাতে কোথায় বিনিয়োগ করতে হবে জানতে পারেন না তারা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, হাই-রেজ্যুলেশন স্যাটেলাইট ইমেজারি ও থ্রিডি ইমেজ ব্যবহার করে বিশ্বের বড় শহরের পানি ও টয়লেটের সুবিধাবঞ্চিত ও ঘনবসতির কারণে সামাজিক দূরত্ব অকার্যকর হয়ে ওঠা এলাকাগুলো চিহ্নিতের কাজ শুরু করেছে বিশ্বব্যাংক। ওয়াহবা বলেন এই প্রযুক্তি এখন পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়েছে কায়রো, মুম্বাই ও কিনশাসায়।

পর্যাপ্ত তথ্য ছাড়া সরকারের খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা বস্তিগুলোতে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মনে করেন অ্যাকটিভিস্ট শিলা প্যাটেল।
 

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার