মহানগরের সম্মেলনে নেতাকর্মীদের ঢল

image
image

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলন উপলক্ষে ঢাকা ও ঢাকার আশেপাশে থেকে আসা নেতাকর্মীদের পদচারণায় ও স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হ‌য়ে উঠেছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ বিভক্ত হওয়ার পরে এঢাই প্রথম সম্মেলন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। মহানগরের মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে আওয়ামী লীগের দলের প্রতীক নৌকার আদলে।

প্রথম অধিবেশন সকাল ৯টার পরে শুরু হয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এবং দ্বিতীয় অধিবেশন বিকাল ৩টায় শুরু হবে ইন্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটশনে। উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলনে একই মঞ্চে হওয়ায় অন্যেন্য সংগঠনের তুলনায় মহানগর আওয়ামী লীগের মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে বড় আকারে।

শনিবার সকাল থে‌কে দেখা যায়, সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। রাজধানীর ও চারপাশ সেজেছে বর্ণিল সাজে। নেতাকর্মীদের ব্যানার, ফেস্টুনসহ বিভিন্ন রঙিন বাতি দিয়ে সাজানো হয়েছে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট।

মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর-দক্ষিণ, ৪৫ থানা ও ১০০ ওয়ার্ড ও ইউনিয়নগুলোর কমিটি হয়েছে। প্রতিটি থানার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হবে কাউন্সিলর। ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম লিখে জমা দেবে থানার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে। তাদের মধ্যে থেকে সমন্বয় করে নির্বাচন করবে কে হবে কাউন্সিল আর কে হবে ডেলিগেট।

এরইমধ্যে কৃষকলীগ, জাতীয় শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও যুবলীগের সম্মেলন শেষ হয়েছে। সব সংগঠনেই এসেছে নতুন নেতৃত্ব।  এরই ধারাবাহিকতায় মহানগর রাজনীতির শীর্ষ নেতৃত্বে আসছে নতুন মুখ-এমন আভাস দিয়েছেন দলটির একাধিক নীতিনির্ধারক।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, যারা দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, যাদের ক্লিন ইমেজ, কোনো বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে নেই, সাবেক ছাত্রনেতা তাদেরকেই এবার দলের সভাপতি মূল্যায়ন করবেন।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার