মঙ্গল গ্রহে অবতরণ করল নাসার রোবটযান

Img

শ্বাসরুদ্ধ কর অপেক্ষার পর মঙ্গলের বুকে সফল অবতরণ করলো মাকির্ন মহাকাশ সংস্থা নাসার রোবটযান পারসিভিয়ারেন্স রোভার।

বাংলাদেশ সময় রাত তিনটায় কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই মঙ্গলগ্রহণের পৃষ্ঠে অবতরণ করে রোভারটি।

বিবিসি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ছয় চাকার এই স্বয়ংক্রিয় যানটি সাত মাসে ৪৭ কোটি মাইল পাড়ি দিয়ে মঙ্গলের জাজেরো নামের গভীর গর্তে অবতরণ করে। রোভারটির সফল অবতরণের পরপরই উল্লাসে ফেটে পড়েন ক্যালিফোর্নিয়ার পাসাডিনার গবেষণা কেন্দ্রের প্রকৌশলীরা।

যানটি আগামী দুই বছর মঙ্গলে অবস্থান করে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজবে। সেখান থেকে তথ্য, ছবি, অন্যান্য নমুনা পাঠাবে বিজ্ঞানীদের।

পূর্ববর্তী সংবাদ

খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে যে সকল ভূমি

প্রত্যেক মৌজার এর ১ নং খতিয়ানভুক্ত সম্পূর্ণ জমি খাস জমি হিসাবে পরিচিত৷ পরিত্যাক্ত কৃষি জমি ১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্টের বিধান বলে খাস করা হয়ে থাকে৷

পয়স্তিভূমি, নদীতে বা সাগরে ভেঙ্গে যাওয়া জমি পুনরায় জেগে উঠলে এবং নদী বা সাগরে সরে যাওয়ার দরুন জেগে ওঠা ভূমি ১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্টের ৮৭ ধারা মোতাবেক খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে৷

কোন হোল্ডিং বা ইহার অংশ বিশেষ (কৃষি বা অকৃষি যাই হোক) বকেয়া খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের জন্য ১৯১৩ সালের বেঙ্গল পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি এক্ট মোতাবেক দায়ের কৃত সার্টিফিকেট মামলায় নিলামকৃত ভূমি সরকার ক্রয় করলে সেই ভূমিও খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে৷

যে সব পরিবার বা সংস্থা প্রেসিডেন্টের আদেশ নং ৯৮/১৯৭২ এর ৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ১০০ বিঘার অতিরিক্ত যে সমস্ত ভূমি সরকারের বরাবরে সমপর্ন করেছেন সেগুলি জমিও খাস জমি হিসাবে পরিগণিত হয়েছে৷

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৩ অনুচ্ছেদে (১) এর গ উপ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা হয়েছে যে বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিকাবিহীন যে কোন সম্পত্তি উক্ত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পতিত ভূমি/খালি ভূমি বা খাস ভূমি হিসাবে গণ্য হবে৷

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার