মক্কা-মদিনায় তারাবি ১০ রাকাত করার নির্দেশ

Img

করোনা মহামারির কারণে মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববিতে তারাবির নামাজের রাকাত সংখ্যা কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান। খবর সৌদি গেজেটের।

দুই পবিত্র মসজিদের সম্পর্কবিষয়ক প্রধান শাইখ আব্দুর রহমান আল-সুদাইস জানিয়েছেন, এবারের রমজানে দুই পবিত্র মসজিদে তারাবি নামাজের রাকাত সংখ্যা ২০ থেকে কমিয়ে ১০ রাকাত আদায় করা হবে। এ ছাড়া মসজিদুল হারামে এবার ইতিকাফ ও ইফতারের আয়োজন বাতিল করা হয়েছে।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মসজিদের প্রেসিডেন্সি এবং ওমরাহ পালনকারীদের সেবায় নিয়োজিত অন্যান্য সংস্থা যেসব পূর্বসতর্কতা ও সুরক্ষামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে সেগুলো কঠোরভাবে মেনে চলা হবে। করোনাকালে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও ১০ রাকাত তারাবিহ দুই মসজিদের শীর্ষ কর্মকর্তা ও জীবাণুমুক্তকরণে নিয়োজিত কর্মীদের উপস্থিতিতে আদায় হবে।  

পূর্ববর্তী সংবাদ

সঙ্গিনীর দুঃসময়ে আপনার করণীয়

সুসময়ের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু। শুধু সুসময় নয়, দুঃসময়ের বন্ধু হওয়াই সত্যিকার বন্ধুত্বের পরিচয়। তবে বন্ধুর খুব বাজে সময়ের আসল বন্ধু হওয়ারও কিছু পদ্ধতি রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সাতটি উপায় বাতলে দিচ্ছেন যার মাধ্যমে আপনারা কাছের বন্ধুর অসময়েও পাশে থাকতে পারবেন। প্রেমিক বা প্রেমিকা অথবা বন্ধু-বান্ধবী অথবা যেকোনো সঙ্গী বা সঙ্গিনী যাকে আপনি ভালোবাসেন, তার পাশে থাকতে হলে নিচের উপায়বগুলো আত্মস্থ করে ফেলুন।

১. শুনুন সুসময় বা দুঃসময় যাই হোক না কেন, বন্ধুর পাশে থাকার অন্যতম একটি উপায় হলো তার কথা শোনা। তার সমস্যা বা আনন্দের কথা শোনার সময় আপনার মোবাইল ফোনে মনযোগ দেওয়া বা বারবার অন্য প্রসঙ্গ তোলা হলে আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনী ভাবতেই পারে যে, আপনি আসলে তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না।

২. পুনরাবৃত্তি করুন প্রেমিক বা প্রেমিকা অথবা কাছের বন্ধুর গোটা বক্তব্য তো শুনবেনই, এরপর তার পুনরাবৃত্তি করে জটিল প্রসঙ্গ নিয়ে আবার আলোচনা করতে পারেন। এতে সে বুঝবে যে আপনি তার কথা যথেষ্ট মনযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং দ্বিতীয়ত তার ভুল কোনো ধারণা ভেঙে দিতে আপনি সচেতন।

৩. জিজ্ঞেস করুন যেকোনো সমস্যাতে সাধারণত মানুষ নিজেদের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখে। এ ক্ষেত্রে তাদের পরামর্শ দিতে এমন কাউকে প্রয়োজন যে তাকে ইতিবাচক পথের দিশা দেবে। এ জন্য তাদের সমস্যা সমাধানে প্রশ্ন করুন। দেখবেন, একই ঘটনা আবার শুনতে চাইলে হয়তো এখন তিনি তা অন্যভাবে বর্ণনা করছেন।

৪. নিজের সীমাবদ্ধতা ধরে রাখুন সঙ্গী বা সঙ্গিনীর পাশে থেকে তার খারাপ সময় দূর করার প্রচেষ্টায় আপনার নিজের সীমাবদ্ধতার দিকে নজর রাখতে হবে। তাদের সমস্য থেকে তুলে আনার জন্য আপনারও যথেষ্ট গ্রহণযোগ্যতা ও সামর্থ্য থাকতে হবে। তাদের সমস্যার ধরন এমন হতে পারে যে, এতে আপনার প্রবেশাধিকার নেই। কাজেই সেখানে প্রবেশের আগে বুঝে নিন সেখান থেকে বের হতে পারবেন কি না।

৫. একটু হাসি দিন বন্ধুর দারুণ কোনো ক্ষতিতে বা হারানোর বেদনায় আপনি তার পাশে খড়কুটো। এমন নিদারুণ মুহূর্তে আপনার এক টুকরো হাসিও তাকে হাসাবে। অথবা তাকে সাহস দিতে এমন কিছু বলুন যেন আপনার বন্ধু আশ্বাস পেয়ে একটু হাসে। এ ক্ষেত্র আপনার মুখে এক চিলতে হাসির কোনো বিকল্প নেই।

৬. বুকে টেনে নেওয়াটা দারুণ কিছু দিতে পারে তার সঙ্গে আপনার শারীরিকভাবে স্পর্শ করার সম্পর্ক নাও থাকতে পারে। কিন্তু চরম মুহূর্তে অসহায় বিপদগ্রস্ত কাউকে সাহস দিয়ে বুকে টেনে নিয়ে সান্ত্বনা দেওয়ার মতো চমৎকার উপায় কী আর আছে?

৭. সৎ থাকুন সবকিছুই সততার সঙ্গে করবেন। তার জন্য আপনি কতটা উদগ্রীব তা বুঝতে দিন। নিজেকে প্রশ্ন করুন আপনি তার জন্য কতটা করতে ইচ্ছুক। তার চেয়েও বেশি করতে চাইলে উজাড় করে দিন। লেখকঃ আইনজীবী,জজকোর্ট ঢাকা,কুমিল্লা, বাংলাদেশ।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার