ভারতের সর্ববৃহৎ মজদুর সংগঠন ভারতীয় মজদুর সংঘের ৬৫তম প্রতিষ্ঠা দিবস ২৩শে জুলাই নানান কর্মসূচী পালনের মধ্যে দিয়ে বেশ সাড়ম্বরের সাথে পালন করা হয়। দক্ষিণজেলার সাব্রুম মহকুমারের মনুবাজারে ভোর থেকে শুরু হয়ে যায় কর্মসূচি পালন। ভোরে প্রভাতফেরির মাধ্যমে শুরু হয় কর্মসূচি, এরপর দ্বীতিয় পর্যায়ে হয় রোগীদের মধ্যে ফল বিতরণ এই কার্যক্রম হয় মনুবাজার গ্রামীণ হাসপাতালে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের মধ্যে ফল বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় মজদুরসংঘের দক্ষিণত্রিপুরা জেলা কমিটির সহ-সভাপতি আশিস্ রায়।

গ্যাজেটেড অফিসার্স সংঘের দক্ষিণত্রিপুরা জেলা সাধারণ সম্পাদক রতন চক্রবর্তীসহ অনান্য শাখা সংগঠনের নেতৃত্বরা। তাদের সাথে কার্যক্রমে ছিলেন হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডাঃ দেবজ্যোতি মজুমদার। তৃতীয় পর্ষায়ে হয় বৃক্ষরোপন কর্মসূচি।

এদিন ব্যাপক সংখ্যক বৃক্ষচারা রোপন করে ভারতীয়মজদুরসংঘের সদস্যরা। বিকালে মনুবাজারে একটি র‍্যালী ও আলোচনা চক্র হয়। আলোচনা চক্রে ভারতীয় মজদুরসংঘ কেন প্রতিষ্ঠাহয়, এই সংগঠনের উদ্দেশ্য কী, তা নিয়ে আলোচনা করেন সংগঠনের দক্ষিণজেলার সহ-সভাপতি তথা শিক্ষক আশিস্ রায়।

তিনি বলেন, রাস্ট্রহীত শ্রমিকহীত প্রদেশহীত কল্যাণে এই সংগঠন কাজ করছে, এই রাস্ট্রপ্রেমী সংগঠনের সদস্য সংখ্যা বর্তমানে এগারো কোটি ছড়িয়ে গেছে। কেবলমাত্র দেশের সর্ববৃহৎ মজদুর সংগঠন নয়, ভারতীয়মজদুর সংঘ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড় মজদুর সংগঠন।

আলোচন চক্রে বক্তব্যে রাখতে গিয়ে গ্যাজেটেড্ অফিসার সংঘের দক্ষিণজেলার সাধারণ সম্পাদক রতন চক্রবর্তী বলেন, কিছু রাজনৈতিক শক্তি রাজনৈতিক নেতা শ্রমিকদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যাবহার করে, শ্রমিকদের কর্মহীন করে দিয়েছে, লড়াই সংগ্রাম হরতালের নামে নেতাদের স্বার্থসিদ্ধি করতে গিয়ে বহু শিল্প কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

সরকারি কর্মচারীরা পূর্বতন সরকারের জমানায় চাঁদার নামে মাসোহারা দিতে হতো। রাজ্যের একমাত্র মাঝারি শিল্প কারখানা জুটমিল রাজনৈতিক নেতাদের সংগঠনের উপর সংগঠন করে শ্রমিকদের বিভ্রান্তকরনের ফলে মুখথুবড়ে পড়েছে ।এদিনের আলোচনা চক্রে অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের  রাজ্য কমিটির সম্পাদিকা ভবানী পাল,মোটরশ্রমিক সংঘের স্হানীয় নেতৃত্ব অমল দেবনাথ সহ অনান্যরা।