ব্রিস্টলের আবহাওয়া বুলেটিনে সোমবারই জানানো হয়েছিল, মঙ্গলবার সারাদিন বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস সত্যি হলো।

গতকাল পড়ন্ত বিকাল থেকেই শুরু হয় বৃষ্টি। তার পর আর মেলেনি সূর্যের দেখা, ঝিরঝিরে বৃষ্টি আর কনকনে বাতাসের সঙ্গে মেঘে ঢাকা আকাশ- ঠিক এ অবস্থায়ই পার হয়েছে রাত।

মঙ্গলবার ভোরেও ব্রিস্টলে আকাশে দেখা যায়নি সূর্যের উপস্থিতি। যেখানে ভোর সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যেই সূর্য উঠে যায়, সেখানে এ প্রতিবেদন লেখার সময় (সকাল ৭টা) পর্যন্তও আকাশ ছিল মেঘে ঢাকা।

সকাল শুরু হয়েছে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি দিয়ে। আবহাওয়ার বুলেটিনে বলা হয়েছে, এ বৃষ্টি বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে পারে।

এ প্রতিবেদন লেখার সময় (ব্রিস্টল সময়) সকাল সাড়ে ৬টায় (বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে ১২টা) আকাশ মেঘলা দেখা যায়, সঙ্গে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি। আকাশ মেঘলা থাকায় সকালে সূর্যের দেখা মেলেনি। বৃষ্টির সঙ্গে রয়েছে বাতাস। এ অবস্থায় বাংলাদেশ-শ্রীলংকা ম্যাচ নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা।

সারাদিন যদি বৃষ্টি হয়, তা হলে পয়েন্ট ভাগাভাগিকে সান্ত্বনা পুরস্কার হিসেবে মেনে নিতে হবে মাশরাফিদের। কিন্তু সেটি হবে টাইগারদের জন্য ম্যাচ হারার মতোই ব্যাপার। কারণ তিন ম্যাচে দুই পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের জন্য আজকের ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই।

আবহাওয়া নিয়ে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে অধিনায়ক মাশরাফির কপালেও। সোমবার ম্যাচপূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রথম তিন ম্যাচের একটি ভেসে গেলে অত সমস্যা হতো না। তবে এ ম্যাচটা পণ্ড হলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে বাংলাদেশের। আশা করছি, আবহওয়া পূর্বাভাস যাই বলুক-ম্যাচটা যেন হয়।

শ্রীলংকার বিপক্ষে সবশেষ তিন দেখায় জিতেছে বাংলাদেশ। নিদাহাস ট্রফিতে দুই ম্যাচে এবং এশিয়া কাপে লংকানদের হারিয়েছেন টাইগাররা। তবে বিশ্বকাপে তিনবারের দেখায় একবারও জয় পাননি তারা। এ ম্যাচে জিততে হলে তাই রেকর্ড ব্রেক করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিনিয়র-জুনিয়রদের সম্মিলিত দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের বিকল্প নেই।

সোমবারও সাউদাম্পটনে ৪৫ বল গড়ানোর পর বেরসিক বৃষ্টি হানা দেয়। তাতে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়। এর আগে বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয় শ্রীলংকা-পাকিস্তান ম্যাচটিও। তবে কয়েকটি ম্যাচে বৃষ্টির বাগড়া উপেক্ষা করে ব্যাট-বলের লড়াই উপভোগ করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। আজকেও বাংলাদেশের দর্শকরা এমন একটি লড়াইয়ের প্রতীক্ষার প্রহর গুনছেন।