বোনের জন্য পুরি কিনে বাসায় গিয়ে ভাই দেখেন ফ্যানে ঝুলছে লাশ

Img

পাঁচ মাস আগে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে সুবর্ণার সঙ্গে গোলাম রাব্বির বিয়ে হয়। গোলাম রাব্বি একজন হোসিয়ারি শ্রমিক। স্বামী ও শ্বশুর-শ্বাশুড়ির সঙ্গে খিলমার্কেট এলাকার হারুন মিয়ার বাড়ির চারতলায় ভাড়া থাকতেন সুবর্ণা। বৃহস্পতিবার সকালে রাব্বি ও তার বাবা আসাদ মিয়া কাজে চলে যান। দুপুরে সুবর্ণার শাশুড়ি লাভলী বেগম ননদ আশামনির সন্তানকে আনতে তাদের বাড়ি যান। দুপুর ১টার পর তারা জানতে পারেন বৃষ্টি মারা গেছেন।

ঘটনাটি সবাইকে খুব কষ্ট দিয়েছে। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাশিপুরের খিলমার্কেট এলাকায় এমনি এক রহস্যময় মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। 

শ্বশুরবাড়ি থেকে সুবর্ণা আক্তার টুম্পা ওরফে বৃষ্টি (১৭) নামে এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত সুবর্ণা আক্তার কাশিপুর ইউনিয়নের খিলমার্কেট এলাকার আবু সিদ্দিকের মেয়ে। একই এলাকার আসাদ মিয়ার ছেলে গোলাম রাব্বির (২২) সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল।

সুবর্ণার বড় ভাই মেহেদী হাসান নাহিদ বলেন, দুপুর ১টায় আমি বোনের জন্য পুরি কিনে বাসায় যাই। গিয়ে দেখি ফ্ল্যাটের দরজা খোলা। ফ্যানের সঙ্গে তার লাশ ঝুলছে। সে সময় বাসায় পরিবারের সেখানে কেউ ছিল না। পরে আমি পরিবারের সবাইকে খবর দেই এবং থানায় জানাই।

তিনি বলেন, পালিয়ে গিয়ে পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করেছিল সুবর্ণা। শ্বশুরবাড়িতে কিংবা অন্য কোথাও কোনো ঝামেলা হয়েছে কি-না সেটা আমরা জানি না। তার আত্মহত্যার কোনো কারণ দেখছি না।

ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল শেখ বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হবে।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার