বেগুন ভেজানো পানি খেলে লাফিয়ে কমবে ভুঁড়ি

Img

অতিরিক্ত ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তায়? খাওয়া কমিয়ে দিয়েছেন, জিমে ঘাম ঝরাচ্ছেন। তবু কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না? সব তো করেছেন, কিন্তু বেগুন ট্রাই করেছেন কি? চমকে উঠলেন বুঝি? ভাবছেন রোগা হওয়ার সঙ্গে বেগুনের কী সম্পর্ক? সম্পর্ক আছে বৈকি।

কলকাতার গণমাধ্যম এই সময়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিয়মিত বেগুন ভেজানো পানি খান, আর দেখুন ম্যাজিকের মতো কীভাবে আপনার ওজন কমে। বেগুনের পানিকে 'মিরাক্যল ওয়াটার'ও বলা হয়ে থাকে। শুধু ওজন কমানো নয়, এই পানি আপনার এনার্জি লেভেলকেও বুস্ট আপ করবে। বেগুনে আছে অনেক পুষ্টিগুণ। পাশাপাশি এর ক্যালোরি কাউন্ট বেশ কম। তাই বেগুন আপনাকে মোটা না করেই সুস্বাস্থ্যের অধিকারী করে তুলবে। বেগুনে ফাইবার বেশি থাকায় ডায়াবিটিকদের জন্যও বেগুন বেশ ভালো। কনস্টিপেশনের সমস্যা থাকলেও নিয়মিত বেগুনের পানি আপনার জন্য অত্যন্ত উপকারী।

জেনে নিন, কীভাবে বানাবেন বেগুনের পানি:

একটা মাঝারি মাপের বেগুন ভালো করে ধুয়ে চাকা চাকা করে কেটে নিন (খোসাসুদ্ধ)। একটা কাঁচের জারে বেগুনের টুকরোগুলো পরপর সাজিয়ে রাখুন। এক লিটার পানির মধ্যে ঢেলে দিন। একটা মাঝাপি মাপের পাতিলেবু নিংড়ে পুরোটা রস এর মধ্যে মিশিয়ে দিন। চামচ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে সারা রাত ফ্রিজে রেখে দিন। পরের দিন ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনারের আগে এক কাপ করে এই পানি খান। সারা দিনে এক কাপ করে এই পানি খাবেন। সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে ফল পাবেন। বেশি উপকার পাওয়ার ক্ষেত্রে সবুজে ভরসা না রেখে বেগুনি বেগুনেই বেশি ভরসা রাখুন। বেগুনি রঞ্জকটিই ওজন কমাতে বিশেষ উপকারী।

পূর্ববর্তী সংবাদ

নারীরা কৌশলে যে মিথ্যাগুলোর আশ্রয় নেন

নারীদের মনস্তত্ত্ব বুঝতে গিয়ে বহু মনীষীও হিমশিম খেয়েছেন। আসলে তারা কি চান, সে বিষয়টা কোন কোন পুরুষ হয়তো সারা জীবনেও বুঝে উঠতে পারেন না। নারীদেরও অবশ্য বহু অভিযোগ রয়েছে পুরুষদের বিরুদ্ধে। আবার কিছু নারীরা পরিস্থিতি বুঝে তা সামাল দেওয়ার জন্য কৌশলে মিথ্যার আশ্রয় নেন। তারা যেটা মুখে বলেন, মনে হয়তো থাকে তার বিপরীত কিছু। এখানে সে ধরনের কয়েকটি মিথ্যা তুলে ধরা হলো:

১) আমি তোমার ফোন কলের জন্য অপেক্ষা করছিলাম না।

২) আমি সত্যি তোমাকে পছন্দ করি। কিন্তু, এটা জানি না কখন তা ভালবাসায় রূপ নেবে।

৩) আমাদের একসঙ্গে বিল পরিশোধ করা উচিত। সবসময় তুমিই কেন সে ভার বহন করবে?

৪) আমার পছন্দের পুরুষটির মাথায় টাক থাকলে বা সে সুদর্শন না হলেও, তাতে কোন অসুবিধা নেই। অন্তত, সে যদি ধনী হয়, সেক্ষেত্রে আমরা একটি সুরক্ষিত জীবনতো পাবো।

৫) আমি কখনোই তোমার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবো না। কথায় কথায় খুঁত ধরবো না। তুমি যেমনটা চাইবে, তেমনটাই হবে।

৬) তুমিই একমাত্র পুরুষ যাকে আমি সারাটি জীবন ধরে চেয়েছি।

৭) তোমার কোন ভুল নেই। আমার মনে হয়, ভুলটা আমারই।

৮) আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের সঙ্গে আমি সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। তারা তো আমারই পরিবার।

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার