বিয়ের প্রলোভনে ছয় মাস আটকে রেখে ধর্ষণ

Img

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বিয়ের লোভ দেখিয়ে ছয় মাস আটকে রেখে ধর্ষণ, অতপর সন্তান জন্ম দেয়ার অভিযোগে উপজেলার ভাংনামারী ইউনিয়নের খোদাবক্সপুর গ্রামের মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

শনিবার আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত মোজাম্মেলকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ভিকটিমের ভাষ্য, উপজেলার ভাংনামারী ইউনিয়নের খোদাবক্সপুর গ্রামের মোজাম্মেল হক ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর ধর্ষণ করে। এরপরে জোরপূর্বক একাধিকবার তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক হয়। এ ঘটনায় তিনি অন্তঃস্বত্ত্বা হয়ে পড়েন।

এরপরে তাকে নিয়ে মোজাম্মেল হক ঢাকা চলে যান। সেখানে হুজুর ডেকে এনে বিয়েও করেন। তারপরে একটি গার্মেন্টে চাকরি নেন ওই নারী। সেখানে মোজাম্মেল হকও নিয়মিত আসা-যাওয়া করেন। ২০১৯ সালের ১৩ আগস্ট পুত্র সন্তানের জন্ম হয় বনশ্রী ফরাজি হাসপাতালে। হাসপাতাল থেকে মোজাম্মেল আমাকে এবং সন্তান সাইমুনকে বাসায় রেখে যান।

এরপরে আর কোন খোঁজ-খবর নেননি। ২০২০ সালের ২৮ মে স্বামীর বাড়িতে গেলে মোজাম্মেল তাকে বাড়িতে উঠতে দেয়নি। স্ত্রী আর সন্তানের বিষয়টি অস্বীকার করেন। বিয়ের কাগজপত্র না থাকায় সন্তানের পরিচয়ও স্বীকার করেননি। এ ঘটনায় ওই ভিকটিম বাদী হয়ে গৌরীপুর থানা মামলা করেন।

গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান উদ্দিন জানান, আটকে রেখে বিয়ের প্রলোভনে ছয় মাস ধর্ষণের অভিযোগ ও সন্তান জন্মদানের ঘটনায় চলতি বছরের ৮ জুন থানায় মামলা হয়। এ ঘটনায় তাকে শুক্রবার ময়মনসিংহের সুতিয়াখালী বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
 

প্রতিক্রিয়া মন্তব্য শেয়ার